Porn Board

মেলা

বেসিস সফ্টএক্সপো ২০১২ শীঘ্রই জনতা টাওয়ারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক চালু হচ্ছে ৫দিন ব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

দেশের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার ও আইটি সার্ভিস প্রদর্শনী ‘বেসিস সফট এক্সপো ২০১২’ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে থাকছে নানা আয়োজন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পাঁচদিনের এ প্রদর্শনীর এবারের আয়োজন আকার, আয়তন ও বৈচিত্র সবদিক থেকেই আগের যে কোনো আয়োজনের চেয়ে ব্যাপক হয়েছে। এবারের সফটএক্সপোতে দেশী বিদেশি প্রায় ১৪০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রদর্শনীতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দেশের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষীক বাণিজ্যিক স্বার্থ ও সুবিধা যাচাই করার উন্মুক্ত সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে দেশের সফটওয়্যার খাতে বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
প্রদর্শণীর আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, নেদারল্যান্ড অ্যাম্বেসির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ক্যারেল রিচার, জিপি আইটির চিফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার ক্রিস্টিনা থেরন, মেলার আহবায়ক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দনসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বেসিসের মহাসচিব ফোরকান বিন কাশেম।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ভালো কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজন সেবার মান উন্নয়ন। সেবা খাতে বেশ প্রবৃদ্ধি হয় তবে অনেক ক্ষেত্রেই সেবা খাত তেমন উন্নত নয়। আর উন্নত সেবা খাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তথ্যপ্রযুক্তি। এ খাতে তরুনদের অংশগ্রহণ বেশ ভালো। এবারের বেসিস সফটএক্সপোতে সবার অংশগ্রহণে যেমন আলোচনা হবে তেমন ইনোভেশন, আইডিয়াতে বেশ অংশগ্রহণও থাকবে বলে আশা করেন তিনি। খুব শিগ্রই জনতা টাওয়ারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক চালু হবে বলেও জানানা তিনি। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধাগুলোকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।
তিনি তার বক্তব্যে আরো বলেন, এ বছরের মধ্যে হাইটেক পার্ক চালু হবে। এছাড়া আগামী বাজেটে আইসিটি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হবে বলে তিনি বলেন, বাজেটের পূর্বেই তিনি বেসিস, বিসিএস এর সাথে আলোচনা করবেন। দেশের আইটি গ্রোথ অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দেশে আইটির উন্নতি আর থামানো যাবে না। এছাড়া এ দেশে আইটি ডিভাইড সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, দেশে ৬ কোটিরও বেশি মানুষ বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে, তবে সে তুলনায় দেশে ইন্টারনেট অ্যাকসেস কম। ইন্টারনেট অ্যাকসেসকে আরো গতিময় করে এগুতে হবে। তিনি দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়নের আশ্বাস দিলেও দেশে যে দক্ষ আইটি স্পেশালিস্ট এর অভাব রয়েছে তার অভাব দূর করতে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ার আহবান জানান। সর্বশেষ তিনি আইটি এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে একত্রিত হয়ে কাজ করার
আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের মেলা বেশ সহায়ক। তিনি বলেন, সফটওয়্যার রপ্তানীর ক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়েছি। আমাদের ভবিষ্যৎ তরুন প্রজন্ম এ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান বলেন, খুব শিগ্রই পেপ্যাল আমাদের দেশে কাজ শুরু করবে বলে পেপ্যাল কতৃপ আশ্বস্ত করেছে। এছাড়া গ্লোবাল আইটি আউটসোর্সিং এ আমরা ইতিমধ্যে বিশেষ জায়গায় আছি।
তিনি তার বক্তব্যে আরো বলেন, দেশে ৬৫% এর অধিক লোক আছে যাদের বয়স ২৫ এর নিচে। আর এ দলটি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার দূরদর্শী আইসিটি পলিসির জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে আলাদা আইসিটি মন্ত্রণালয় করার বিষয়কে সাধুবাদও জানান তিনি।
তিনি দক্ষ মানব সম্পদ এর অভাব অনুভব করে বলেন, সরকারকে এক্ষুনি নজর দিতে হবে এ জন্য কিছু ক্র্যাশ প্রোগ্রাম করার। এছাড়াও তিনি আইটির উন্নয়নে অবকাঠামোকে দ্বিতীয় বাধা হিসেবে অভিহিত করেন। হাইটেক পার্কসহ আরো কিছু অবকাঠামোগত সহায়তা তিনি সরকারের পক্ষ থেকে আশা করেন। তিনি বলেন বর্তমানে বেসিসের ৫০৩টি কোম্পানি আছে যাদের আন্তরিকতা প্রশংসা পাবার যোগ্য। দেশে ফ্রিল্যান্সারদের কর্মতৎপরতাকেও সাধুবাদ জানান তিনি। মেলার বিভিন্ন আয়োজনের দিকে দৃষ্টিপাত করে তিনি বলেন, সবাইকে অনেক আন্তরিকতার সাথে এখানে অংশগ্রহণ করে নতুন দিনের সূচনা করতে হবে। সবশেষে তিনি সবাইকে এ অয়োজনে শরীক হবার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন। মেলায় আরো বক্তব্য রাখেন জিপিআইটি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ক্রিস্টি ফেয়ল প্রধানমন্ত্রীর অফিসের এটুআই প্রোগ্রামের অন্যতম কর্মকর্তা জনাব নজরুল ইসলাম খান। “Empowering Next Generation” শ্লোগান নিয়ে এবারের প্রদর্শনীতে ছিল ৮০টির বেশি সেমিনার, টেকনিক্যাল সেশন, ওপেন সেশন, বিজনেস ম্যাচমেকিং প্রেজেন্টেশন। প্রদর্শনী বিজনেস সফটওয়্যার, আউটসোর্সিং, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, কাউড এন্ড কমিউনিকেশন, আইটি এনাবেল্ড সার্ভিস, আইটি এডুকেশন ও ই-কমার্স জোন নামে ৭টি ভিন্ন ভিন্ন জোনে বিভক্ত করা হয়। এছাড়াও  ওয়ান-টু-ওয়ান বিজনেস মিটিংয়ের জন্য থাকছে বিজনেস লাউঞ্জ। প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি ও সংবাদ কর্মীদের জন্য ছিল মিডিয়া লাউঞ্জ, যেখানে ছিল ইন্টারনেট সংযোগ, কম্পিউটার ও প্রয়োজনীয় সুবিধাদি।  প্রদর্শনীতে প্রবেশের ক্ষেত্রে এবারেও অনুসরণ করা হবে ভিজিটর রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম। এবারের সফ্টএক্সপোতে ‘ভাষার মাসে বাংলা ব্লগের একটি মিলন মেলা’ শিরোনামে বগারদের জন্য এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য থাকছে দুটি পৃথক সম্মেলন।

“Empowering Next Generation” এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার এবং আইসিটি ইভেন্ট “বেসিস সফটএক্সপো ২০১২’’। ২০০৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ইভেন্ট আয়োজন করে আসছে বেসিস।  সফ্টএক্সপো ২০১২ কে সামনে রেখে গত শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২, সকালে বেসিস আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেসিস সফ্টএক্সপো ২০১২ এর আহবায়ক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন তার বক্তৃতায় বলেন- এবারের সফটএক্সপোতে দেশী বিদেশি প্রায় ১৪০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিবে, থাকবে ৮০টির বেশি সেমিনার,  টেকনিক্যাল সেশন, ওপেন সেশন, বিজনেস ম্যাচমেকিং প্রেজেন্টেশন। বেসিস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান, মহাসচিব ফোরকান বিন কাশেম, স্পন্সরদের পক্ষ থেকে প্লাটিনাম স্পন্সর জিপি আইটির সিএফও ক্রিস্টি থেরন, গোল্ড স্পন্সর ডেল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সোনিয়া বশির কবির, ব্র্যাক ব্যাংক এর সিটিও নাভেদ ইকবাল এবং হুয়াওয়ে -এর মার্কেটিং ডিরেক্টর জেরি।
বেসিসের বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে এবারে সফ্টএক্সপোর ব্যাপ্তি অনেক বড়। প্রদর্শনী  ৭টি ভিন্ন ভিন্ন জোনে বিভক্ত করা হয়েছে, বিজনেস সফটওয়্যার, আউটসোর্সিং, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, কাউড এন্ড কমিউনিকেশন, আইটি এনাবেল্ড সার্ভিস, আইটি এডুকেশন ও ই-কমার্স জোন। এছাড়াও  ওয়ান-টু-ওয়ান বিজনেস মিটিংয়ের জন্য থাকছে বিজনেস লাউঞ্জ। প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি ও সংবাদ কর্মীদের জন্য রয়েছে মিডিয়া লাউঞ্জ, যেখানে থাকবে ইন্টারনেট সংযোগ, কম্পিউটার ও প্রয়োজনীয় সুবিধাদি।  প্রদর্শনীতে প্রবেশের ক্ষেত্রে এবারেও অনুসরণ করা হবে ভিজিটর রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম।
এবারের সফ্টএক্সপোতে ‘ভাষার মাসে বাংলা বøগের একটি মিলন মেলা’ শিরোনামে ব্লগারদের জন্য এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য থাকছে দুটি পৃথক সম্মেলন।
মেলার ২য় দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে একাধিক সেমিনার, রাউন্ড টেবিল, টেক সেশন। এই দিন সকালে এনটিএফ-টু প্রোগ্রামের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ম্যাচ মেকিং প্রোগ্রাম। এতে বিজনেস টু বিজনেস হিসেবে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনে ইউরোপ থেকে প্রায় ১২ টি প্রতিষ্ঠানের কমকর্তারা অংশ নেন। এছাড়া এনটিএফ-টু প্রোগ্রামের আওতায় ৪০টি প্রতিষ্ঠান এবং বেসিসের সদস্যসহ আরো ৩০টি প্রতিষ্ঠান ম্যাচ মেকিংয়ে অংশ নিচ্ছে। সবমিলিয়ে প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান ম্যাচ ম্যাকিং এ অংশ নিয়েছে।

ই-পেমেন্ট অ্যান্ড এম-পেমেন্ট এস অল্টারনেটিভ ট্রান্সজাকশন বিষয়ে সেমিনার:

মেলার দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ই-পেমেন্ট অ্যান্ড এম-পেমেন্ট এস অল্টারনেটিভ ট্রান্সজাকশন’ বিষয়ে সেমিনার। বেসিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল কাশেম মো. শিরিন। তিনি ই-পেমেন্টের নানা বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে বক্তব্য দেন বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান, সাপোর্ট টু ডিজিটাল বাংলাদেশের (এটুআই) পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, বেসিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম ফাহিম মাশর”রসহ অনেকে। বক্তারা বলেন, দেশে গত দুই/তিন বছর হলো চালু হয়েছে ই-পেমেন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস। বাংলাদেশ অনুমোদিত ব্র্যাক ব্যাংক এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড দেশে চালু করেছে সময়োপযোগী এ সেবাটি। সেবা কার্যক্রমের সফলতার জন্য বিকল্প এ অর্থ লেনদেন পদ্ধতি নিয়ে গ্রাহকদের বিশ্ব¯-তা অর্জন খুব জর”রী। সে সাথে সেবাকে জনগনের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে ব্যাংক কতৃপরে আগ্রহের সঙ্গে প্রয়োজন সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ। তবে ব্যাংকগুলো এ সেবা দিতে প্র¯’ত থাকলেও এ সেবাটি চালিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নেই। তাছাড়া এর সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ব্যাংকিং ও শিল্পখাতের সমন্বয়।
এছাড়া বিকেলে মেলায় ‘বায়োইনফরমেটিকস: হোয়াই সুড উই বি সিরিয়াস অ্যাবাউট দিস?’ শীর্ষক টেক সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসিস অ্যাওয়ার্ড নাইট অনুষ্ঠিত

২৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় বেসিস সফটএক্সপো ২০১২ এর জমকালো অ্যাওয়ার্ড নাইট। অ্যাওয়ার্ড নাইটে আজীবন সম্মননা, ডিজিটাল চ্যাম্পিয়নশীপ অ্যাওয়ার্ড, স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ডসহ বেসিস আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে বেসিসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ তৌহিদ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বেসিসের দ্বিতীয় সভাপতি এস এম কামালকে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কে দেওয়া হয় ডিজিটাল চ্যাম্পিয়নশীপ অ্যাওয়ার্ড। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি এবং  প্রয়াত বেসিস সদস্য এ এস এম শামসুজ্জামান পাপ্পুকে যৌথভাবে দেওয়া হয় স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড।
মেলায় অনুষ্ঠিত অ্যাওয়ার্ড নাইটে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, ডিজিটাল চ্যাম্পিয়ানশীপ অ্যাওয়ার্ড, স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড, আইটি
ইনোভেশন সার্চ প্রোগ্রামের (আবিস্কারের খোঁজে) অ্যাওয়ার্ড, ফ্রিল্যান্সার অ্যাওয়ার্ড এবং কোড ওয়ারিয়রস চ্যালেঞ্জ শীর্ষক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার দেয়া হয়।
এছাড়া বেসিস আয়োজিত আইটি ইনোভেশন সার্চ প্রোগ্রামের (আবিস্কারের খোঁজে) বিজয়ী প্রকল্পগুলো হচ্ছে: ভয়েস গাইডেড ইউটিলিটি রোবট (চ্যাম্পিয়ন), এপোড্রেবল মার্কার লেস মোশন ক্যাপচার সলিউশন (প্রথম রানারআপ) এবং ডক্টর সফটওয়্যার (দ্বিতীয় রানারআপ)।
ফ্রিল্যান্সার প্রতিযোগিতা

ফ্রিল্যান্সার প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থী, ব্যক্তিগত ও কোম্পানী ক্যাটাগরিতে মোট ১৫ (পনের) জনকে ফ্রি-ল্যান্সার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়: শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হচ্ছেন খালেদ বিন এ কাদের, মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন অলি, মারজান আহমেদ, আহমেদ সাজিদ। ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হচ্ছেন: মুহাম্মদ শোয়েব, মোঃ মোহ্ইামেনুজ্জামান, সাঈদ ইসলাম, খালেদ মোঃ শাহরিয়ায়, আনোয়ারুল ইসলাম, মোঃ এনামুল হক, আশিকুর রহমান এবং কোম্পানী ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হচ্ছেন দ্যা আরএস সফটওয়্যার, এনকোডল্যাবস ইনস, তানভির আইটি সলিউশন্স এবং জোবাদনেট।

কোড ওয়ারিয়রস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতা

কোড ওয়ারিয়রস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় ৪টি ট্র্যাকে শিক্ষার্থী ও প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতে মোট ৮ দলকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়। অ্যান্ড্রোয়েড ট্র্যাকে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দলের নাম সার্জ এবং প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দল দ্যা ইনক্রেডেবল, পিএইচপি ট্র্যাকে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দলের নাম ব্যাড টাইমিং এবং প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দল মুক্ত এক্সএসএস, ডট নেট ট্র্যাকে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দলের নাম সাসট ট্রাইঙ্গেল এবং প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দল স্মার্ট ওয়ারিরস এবং জাভা ট্র্যাকে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দলের নাম বুয়েট নোবডিস এবং প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান দল স্পেকট্রাম ওয়ারিরস।

আবিস্কারের খোঁজে

‘আবিস্কারের খোঁজে’ প্রতিযোগিতার প্রথম হয়েছে ‘ভয়েস গাইডেড ইউটিলিটি রোবট’, দ্বিতীয় হয়েছে ‘এপোড্রেবল মার্কার লেস মোশন ক্যাপচার সলিউশন’ এবং তৃতীয় হয়েছে ডক্টর সফটওয়্যার। বিজয়ী ফ্রিল্যান্সাররা হচ্ছে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন খালেদ বিন এ কাদের, মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন অলি, মারজান আহমেদ এবং আহমেদ সাজিদ। ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন মুহাম্মদ শোয়েব, মোঃ মোহ্ইামেনুজ্জামান, সাঈদ ইসলাম, খালেদ মোঃ শাহরিয়ায়, আনোয়ারুল ইসলাম, মোঃ এনামুল হক ও আশিকুর রহমান এবং কোম্পানী ক্যাটাগরিতে দ্যা আরএস সফটওয়্যার, এনকোডল্যাবস ইনস, তানভির আইটি সলিউশন্স এবং জোবাদনেট। ‘কোড ওয়ারিয়রস চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় পিএইচপি, ডট নেট, জাভা এবং এন্ড্রয়েড এই ৪টি ট্র্যাকের প্রতিটিতে প্রফেশনাল এবং শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে একজন করে পুরস্কৃত করা হয়।
বেসিসের কোষাধক্ষ আলমাস কবিরের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত পুরস্বার বিতরণী অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, জিপি আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিটার এন্থনি ডিনডিয়াল, বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান, বিএস সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘আইটি জব ফেয়ার’

তরুণ প্রজন্মকে দেশের আইসিটি ইন্ডাষ্ট্রিতে চাকরির সুযোগ করে দেয়ার লক্ষে মেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আইটি জব ফেয়ার’। এক হাজারের উপরে আগ্রহী চাকুরী প্রার্থীদের মধ্য থেকে বাছাই করে ২৯৬ জনের সরাসরি সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জিনুইটি সিস্টেম লিমিটেড, ডিএনএস সফটওয়্যার লিমিটেড, রাইজ আপ ল্যাবস লিমিটেড, রাইট ব্রেইন সলিউশন লিমিটেড, জিপিআইটি লিমিটেড, ডেভনেট লিমিটেড, ইপসিলন কন্সাল্টিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস, ব্রেইন স্টেশন ২৩, সিগনাস ইনোভেশন লিমিটেড, এমএফ এশিয়া লিমিটেড, আইবল নেটওয়ার্কস, প্রাইম টেক এবং সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড।

‘ব্যাংকিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর’ শীর্ষক বিজনেস মিট এন্ড ম্যাচ সেশন

মেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ব্যাংকিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর’ শীর্ষক বিজনেস মিট এন্ড ম্যাচ সেশন। ব্যাংকার্স সিটিও ফোরাম ও বেসিসের যৌথ আয়োজনে এ সেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোঃ নাজমুল হক। এ সেশনে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ব্যাংকের চীফ টেকনিক্যাল অফিসার এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আলোচনায় অংশগ্রহন করেন। সেশনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসিস সভাপতি মাহবুব জামান, ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংকের সিটিও  এবং ব্যাংকার্স সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার, ব্র্যাক ব্যাংকের সিইও এবং ব্যাংকার্স সিটিও ফোরামের সহ-সভাপতি নাভেদ ইকবাল এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিএম এবং ব্যাংকার্স সিটিও ফোরামের সাধারন সম্পাদক দেব দুলাল রায়।

মোবাইলফোন অ্যাপ্লিকেশন ও স্মার্ট প্রযুক্তির উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার

২৪ ফেব্রুয়ারী বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের নাগরিকদের সেবা মান নিশ্চিত করতে মোবাইলফোন অ্যাপ্লিকেশন ও স্মার্ট প্রযুক্তির উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক’র সামাজিক সেবা উদ্ভাবন ও যোগাযোগ পরিচালক আসিফ সালেহ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহসানউলাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এএমএম শফিউল্লাহ।
ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় দর্শক সমাগমও ছিলো বেশ ভালো। সকাল থেকে আগ্রহী দর্শকদের ভীড় দেখা গেছে মেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র ছাত্র ফারুক হোসেন বলেন, এ মেলাকে কেন্দ্র করে আইটি ইনোভেশন সার্চ প্রোগ্রাম, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এবং সেরা ফ্রিল্যান্সারকে বের করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়গুলো নতুন
প্রজন্মকে মেলার বিষয়ে আরো বেশি আগ্রহী করে তুলবে।

৫-৯ ফেব্রুয়ারী পরবর্তী বেসিস সফটএক্সপো ২০১৩
আগামী বছরের ৫-৯ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী বেসিস সফটএক্সপো ২০১৩। বেসিস সভাপতি মাহবুব জামানের এ ঘোষনার মাধ্যমে শেষ হলো ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গত ২২-২৬ অনুষ্ঠিত বেসিস সফটএক্সপো ২০১২। লেজার রশ্মির আলোর নাচন, আতশবাজি আর ফানুস উড়িয়ে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী এই বেসিস সফটএক্সপো।
এর আগে ঘোষণা করা হয় এবারের প্রদর্শনীর সেরা স্টল ও প্যাভিলিয়েনের নাম। প্রদর্শনীতে সেরা স্টলের জন্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছে মোবাইল এপ্লিকেশন জোনের এমসিসি। এছাড়াও সেরা মিনি প্যাভেলিয়ন পুরস্কার জিতেছে কোরকে এবং সেরা প্যাভিলিয়নের জন্য পুরস্কার জিতেছে জেনুইটি সিস্টেমস লিমিটেড। আর সেরা স্পন্সর স্টল হয়েছে হুয়াওয়ে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেলার আহবায়ক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন এবং বেসিসের কোষাধ্য আলমাস কবির।
সমাপনী দিনে মেলা কেন্দ্রের হারমনি হল-এ আইডিয়াজ অ্যান্ড ইনোভেশন প্লাটফর্মে ‘ডিসিশন মেকিং থ্রো বিজনেস ইন্টেলিজেন্স’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে ডাটাবিজ সফটওয়্যার লিমিটেড। সেমিনারে সাধারণ অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি সাংবাদিক, ব্যবস্থাপক ও তথ্যপ্রযুক্তি ও ব্যবসায় সংগঠনসমূহের নেতৃবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারের প্রধান বক্তা ডাটাবিজ সফটওয়্যার লিমিটেড-এর বিক্রয় ও বিপণন শাখার প্রধান দেওয়ান এস. রহমান স্থানীয়ভাবে প্রস্তুকৃত বেশ কিছু বিআই (বিজনেস ইন্টেলিজেন্স) টুল প্রদর্শনের পাশাপাশি বিজনেস ইন্টেলিজেন্স-এর ধারণা, উন্নয়ন ও ইতিহাস বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বিবরণ উপস্থাপন করেন। তিনি প্রথাগত ইআরপি সল্যুশনের চ্যালেঞ্জসমূহ উল্লেখ করার পাশাপাশি ডাটাবিজ-এর বিআই এনাবল্ড বিজনেসরুটস ও রিয়েল এস্টেট ইআরপি সল্যুশনের সাম্প্রতিকতম সংস্করণের সাহায্যে কীভাবে এসব চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করা যাবে তা বর্ণনা করেন। সেমিনারের অতিথি বক্তা আরলা ফুডস-এর কান্ট্রি ম্যানেজার আহমেদ কবির স্থানীয় পর্যায়ে বিআই টুলস নিয়ে নিজস্ব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। সেমিনারের শেষ পর্যায়ে ছিল অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব।

এছাড়াও মেলা শেষে রাতে ছিলো সমাপনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সেরা স্টল পুরস্কার দেয়া হয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সফটওয়্যার মেলায় যত অফার
বেসিস সফট্ এক্সপো’২০১২-তে বিভিন্ন সফটওয়্যার ও আইটি এনাবেল সার্ভিসেস কোম্পানী তাদের বিভিন্ন সার্ভিস এবং সলিউশনের ঢালা সাজিয়ে বসেছিল।
জিপিআইটি লিঃ : মেলার  প্লাটিনাম স্পন্সর দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি কোম্পানী গ্রামীন ফোন আইটি লিঃ বিভিন্ন আইটি সলিউশন যেমন, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (এইচআরএমএস), এপ্রোবল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (এএমএস), ক্রিস্টাল (রিমোট ডিস্ট্রিবিউশন পারফরম্যান্স ট্র্যাকার) ইত্যাদি সব ধরনের আইটি সলিউশন দিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান।
ডেল : মেলার গোল্ড স্পন্সর বিশ্বখ্যাত কোম্পানী ডেল প্রদর্শন করছে ইন্ড টু ইন্ড আইটি সলিউশন, ডেক্সটপ, নোটবুক, সার্ভার, স্টোরেজ, সিকিউরিটি, নেটওয়ার্কিং, মোবিলিটি সলিউশন, সফটওয়্যার এন্ড পেরিপ্যারালস, ক্লাউড এপ্লিকেশনস ইত্যাদি।
ব্রাক ব্যাংক লিঃ : মেলার কো-স্পন্সর এবং ই-কমান্ড জোন স্পন্সর এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সার্ভিস প্রদর্শন করছে।
হুয়াউই টেকনোলজি বাংলাদেশ লিঃ : মেলার ক্লাউড এন্ড কমিউনিকেশন জোন স্পন্সর এই প্রতিষ্ঠান প্রদর্শন করছে ডাটা কম সলিউশন, ডেক্সটপ ক্লাউড সলিউশন, টেলি প্রেজেন্স, আইটি কন্ট্রাক্ট সেন্টার এবং ই-এডুকেশন সলিউশন।
সিম সলিউশন বাংলাদেশ লিঃ : মেলার আউটসোর্সিং জোন স্পন্সর এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের আইটি সলিউশন প্রদর্শন করছে।
কিউবি : মেলার ইন্টারনেট পার্টনার কিউবি মেলায় ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সার্ভিসের বিভিন্ন প্যাকেজ অফার করছে।
মেলায় প্যাভেলিয়ন সাজিয়েছে যারা :
মেলায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান প্যাভেলিয়ন সাজিয়ে আইটি সলিউশন প্রদর্শন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
বেস্ট বিজনেস বন্ড লিঃ : মেলায় বিভিন্ন সেক্টরের জন্য একাউন্টিং এবং ফাইনান্সিয়াল সলিউশনস, পে-রুল, প্রোভিন্যান্ট ফান্ড, ফিক্সড এসেট, হায়ার পার্সেস ম্যানেজম্যান্ট সফট্ওয়্যার, সুপারশপ এর জন্য পস সলিউশন, ডায়াগোনিস্টিক ও হসপিটাল ম্যানেজম্যান্ট সলিউশন, ই-আর পি সলিউশনস ইত্যাদি।
বিটস সলিউশন লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সেক্টরের জন্য নেট ই আর পি সলিউশনস নিয়ে হাজির হয়েছে।
ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান বিজনেস, ই আর পি এবং এডুকেশন ই আর পি সলিউশন প্রদর্শন করছে।
ডি এন এস সফট্ওয়্যার লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান এম এস এস / মোবাইল ব্যাংকিং , আই এস টি সুইসিং সফট্ওয়্যার, সাবস্ক্রিপশান বেজড সার্ভিস, ওয়াপ সার্ভিস, অনলাইন রিচার্স, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ইত্যাদি অসংখ্য সলিউশন প্রদর্শন করছে।
ফ্লোরা সিস্টেমস লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান অনলাইন কোর ব্যাংকিং সফট্ওয়্যার(ফ্লোরা ব্যাংক), মোবাইল ব্যাংকিং, ফ্লোরা ই আর পি, সি আই ভি, ইন্টারনেট মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি অসংখ্য আইটি সলিউশন প্রদর্শন করছে।
জেনুইটি সিস্টেমস লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান প্রদর্শন করছে জিপ্লেক্স কল সেন্টার, এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ফর সিমবিয়ান, এনড্রইড ও আইফোন, জেনুইটি আইটি ট্রেনিং ইত্যাদি।
আইবিসিএস প্রাইম্যাক্স সফটওয়্যার বাংলাদেশ লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় প্রদর্শন করছে কম্পিউটার ইন্টেগ্রেড ইন্স্যুরেন্স সিস্টেম, রিয়েল এস্টেট ই আর পি, মাইক্রো ক্রেডিট সিস্টেম, মিডিয়া ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, অনলাইন এডমিশন সিস্টেম, ওরাকল ই বিজনেস স্যুট, ওরাকল ক্যাম্পাস ম্যানেজম্যান্ট ইত্যাদি।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সি : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম প্রদর্শন করছে।
লিডস কর্পোরেশন লিঃ : মেলায় প্রদর্শন করছে সিসকো আইপি বেজড কনট্রাক্ট সেন্টার, কনট্রাক্ট সেন্টার সিস্টেম ইনট্রেগ্রেশন সার্ভিস, আইপি টেলিফোনি সলিউশন ইত্যাদি।
সিম্পনি সফটটেক লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান সেজ ৩০০ ই আর পি সফট্ওয়্যার, বিজি বিজনেজ একাউন্টিং সফট্ওয়্যার, এমএএফএস অফটিমিট কাস্টম সফটওয়্যার ইত্যাদি প্রদর্শন করছে।
তালুকদার আইসিটি লিঃ : মেলায় বিভিন্ন ধরনের ই আর পি এবং ওয়েব বেজড সফট্ওয়্যার প্রদর্শন করছে এই প্রতিষ্ঠান।
মেলায় বিজনেস সফট্ওয়্যার জোনে স্টল সাজিয়েছিল যারা :
মেলায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বিজনেস সফট্ওয়্যার নিয়ে এসেছিল। এর মধ্যে রয়েছে :
এডিই সফট লিঃ : মেলায় প্রদর্শন করছে এডুকেশন ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, এটেন্ডেন্স সলিউশন, একাউন্টিং সলিউশন, ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং সলিউশন ডাটা এন্ট্রি সার্ভিস ইত্যাদি।
এডভান্স সফট্ওয়্যার ডেভেলপমেন্ট : প্রদর্শন করছে সফট্ওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং, কমিউনিকেশন সার্ভিস, আইটি কনসালটেন্সি, আউটসোর্সিং, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।
অন্কুর আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন : প্রদর্শন করছে ৯ম-১০ম শ্রেনীর কম্পিউটার টেক্সট বুক, ২টি ট্রেনিং ম্যানুয়েল সিডি/ডিভিডি ইত্যাদি।
এরিনা ফোন বিডি লিঃ : প্রদর্শন করছে লিজিং সলিউশন, মোবাইল ব্যাংকিং সলিউশন, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, এস ই ও, মোবাইল এন্ড ফেসবুক মার্কেটিং ইত্যাদি।
বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানী লিঃ : প্রদর্শন করছে ওয়েবসাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারনেট একসেস, ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিজড সার্কিট, আইপি টেলিফোনি, ভিডিও কনফারেন্সিং, নেটওয়ার্কিং সিকিউরিটি সলিউশনস ইত্যাদি।
বেজ লিঃ : প্রদর্শন করছে বিজনেস এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, এডুকেশন এন্ড আইটি ট্রেনিং, কনসালটিং ইত্যাদি।
বিবাহবিডি.কম : প্রদর্শন করছে বিবাহপোর্টাল সার্ভিসেস।
কোড এরো লিঃ : প্রদর্শন করছে ইউনিফাইড বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, প্রজেক্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, জব মনিটরিং সিস্টেম ইত্যাদি।
কম্পিউটার ইজি লিঃ : প্রদর্শন করছে এইচ আর এন্ড পে-রুল, ফান্ড ম্যানেজম্যান্ট সেলস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম, ফাইনান্সিয়াল একাউন্টিং, ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মোবাইল বেজড সার্ভে ইত্যাদি।
কোর নলেজ লিঃ : প্রদর্শন করছে ই-লারনিং কোর্স ওয়্যার, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট, ই-বুকস এন্ড রেফারেন্স ম্যাটেরিয়ালস ফর ওয়ার্কফোর্স ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
ক্রেশ : প্রদর্শন করছে ইউনিক অনলাইন শপিং সলিউশন, ট্যাক্স সলিউশন, সফটওয়্যার এন্ড ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
ডাটা হেড প্রাইভেট লিঃ : প্রদর্শন করছে একাউন্টিং সফট্ওয়্যার, ডেক্সটপ ভার্সন, ওয়েব ভার্সন, একাউন্টিং ফর লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এইচ আর এন্ড পে-রুল এন্ড প্রভিডেন্ট ফান্ড সলিউশন ইত্যাদি।
ডাটা সফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিঃ : প্রদর্শন করছে ব্যাংকিং সার্ভিস, মাইক্রো ফাইনান্স, পোর্ট এন্ড লজিস্টিকস ইত্যাদি।
ডিভাইন আইটি লিঃ : প্রদর্শন করছে স্পেয়ার একাউন্টিং, ডেডিকেডেট এন্ড ক্লাউড সার্ভার হোস্টিং, এপ্লিকেশন এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মাল্টিলেভেল মার্কেটিং, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি।
ইমবেডেড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রোবটিকস টেকনোলজি লিঃ প্রদর্শন করছে বিভিন্ন সিমুলেটরস, এনড্রইড এপ্লিকেশন, রোবটিক ট্রেনিং, গেম ইঞ্জিন, জিপিএস ড্রাইভেন সলিউশন ক্লাউড কম্পিউটিং ইত্যাদি।
ইপসিলন কনসালটিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস : প্রদর্শন করছে এইচ আর, পে-রুল, ইনভেন্টরী, হেলথ কেয়ার, ই-কমার্স ইত্যাদি।
ইরা ইনফোটেক লিঃ : প্রদর্শন করছে অনলাইন কোর ব্যাংকিং সলিউশন, অনলাইন ইসলামিক কোর ব্যাংকিং সলিউশন, ওয়েব বেজড অনলাইন ব্যাংকিং ইত্যাদি।
জি-৫ টেকনোলজিস লিঃ : প্রদর্শন করছে আলটিমেট মোবাইল ডায়ালার, ফ্লিট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, লোকেশন বেজড সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ইত্যাদি।
জেনুইটি সিস্টেমস লিঃ : প্রদর্শন করছে জিপ্লেক্স কল সেন্টার, এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ফর সিমবিয়ান, এনড্রয়িড এন্ড আইফোন, জেনুইটি আইটি ট্রেনিং ইত্যাদি।
জি-নেট টেকনোলজিস লিঃ : প্রদর্শন করছে প্রজেক্ট ম্যানেজম্যান্ট, আইটি, বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট, মার্কেটিং, ফাইনান্স এন্ড ব্যাংকিং, একাউন্টিং এন্ড অডিটিং, সফটওয়্যার সলিউশনস ইত্যাদি।
গননা টেকনোলজিস লিঃ : প্রদর্শন করছে ওয়েব বেজড অফিস ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ইনভেন্টরী, ওয়েব সাইট ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডোমেইন এন্ড হোস্টিং ইত্যাদি।
গ্রামীন কমিউনিকেশনস : প্রদর্শন করছে লোন মনিটরিং সিস্টেম, ডিপোজিট ব্যাংকিং, পে-রুল, ইনভেন্টরী, ফিক্সড এসেট এন্ড একাউন্টিং সিস্টেম ইত্যাদি।
গ্রিন সফট সিস্টেম লিঃ : প্রদর্শন করছে একাউন্টস, রেস্টুরেন্ট, গার্মেন্টস, স্টোর ইনভেন্টরী, হ্যাচারী, ইত্যাদি।
হাওয়ার আইটি লিঃ : প্রদর্শন করছে ওয়েব/ই-কমার্স এপ্লিকেশন, এনড্রইড/আইফোন এপ্লিকেশন, ওয়েব ম্যাপ এপ্লিকেশন ডেভেলপম্যান্ট, হোস্টিং এন্ড মেইনটেনেন্সইত্যাদি।
ইমপাল্স বিডি লিঃ : প্রদর্শন করছে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট , মেইনটেনেন্স এন্ড সাপোর্ট, মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এন্ড মেইনটেনেন্স ইত্যাদি।
ইনফাইনিটি টেকনোলজি ইন্টারন্যাশনাল লিঃ : প্রদর্শন করছে ব্যাংকিং সলিউশন, ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার, ব্যাংকিং সফটওয়্যার ইত্যাদি।
ইনফোলিংক : প্রদর্শন করছে হোটেল এন্ড রিসোর্ট ম্যানেজম্যান্ট, হসপিটাল এন্ড মেডিকেল ইআরপি সলিউশন, ওয়েব বেজড শপ ম্যানেজম্যান্ট, এনড্রয়েড ওয়্যারলেস টেকনোলজি ইত্যাদি।
ইনফরমেটিক্স টেকনোলজিস : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের স্কুল গুলোর জন্য ওপে সোর্স স্কুল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (ই-স্কুল) প্রদর্শন করছে ইত্যাদি।
এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠান ফ্রি কমিউনিটি ব্লক (একুশে ব্লক) প্রদর্শন করছে।
ইনোবেশন ইনফরমেশন সিস্টেম : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান ইআরপি সলিউশন, পয়েন্ট অব সেল, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট, হোটেল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, রেস্টুরেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, একাউন্টিং সফটওয়্যার, ট্রেডিং বিজনেস সলিউশনস, মেডিকেল ওয়েব পোর্টাল ইত্যাদি প্রদর্শন করছে।
মায়া স সিকুট্রোনিক্স লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান প্রদর্শন করছে  সিসিটিভি ক্যামেরা, একসেস কন্ট্রোল ডিভাইস, ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেম, ইআরপি সিস্টেম, ইনভেন্টরী ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার, টাইম এটেন্ডেন্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।
এম এফ এশিয়া লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান লজিস্টিক কুরিয়ার এন্ড ফ্রেইট কোম্পানীর জন্য নিয়ে এসেছে নেট কুরিয়ার । এছাড়া ট্রাভেলস এন্ড ট্যুর অপারেটরদের জন্য নিয়ে এসেছে ক্লাউড বেজড সলিউশনস অ্যাম্পায়ার।
মাইক্রোম্যাক টেকনোভ্যালী লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান ব্যাংকিং অ্যাপলিকেশন, হসপিটাল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ইনভেন্টরী এন্ড সেলস ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ওয়েব সাইট ডেভেলপমেন্ট এন্ড হোস্টিং, আইটি এডুকেশন ইত্যাদি সলিউশন প্রদর্শন করছে।
মিলেনিয়াম ইনফরমেশন সলিউশন লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান অনলাইন এন্ড সেন্টলাইজড ইসলামিক ব্যাংকিং সলিউশন, ওয়েব বেজড হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট সলিউশন প্রদর্শন করছে।
মীর টেকনোলজিস লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান ই-আরপি, এইচ আর এম, ইন্স্যুরেন্স ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ফাইনান্স ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, সিআরএম, পস,ফাইনান্সিয়াল সলিউশন, স্কুল/কলেজ/ইউনিভার্সিটি ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম ইত্যাদি প্রদর্শন করছে।
ওয়ান কল সলিউশন লিঃ : প্রদর্শন করছে অল ইন ওয়ান কনটাক্ট সেন্টার, সলিউশনস, আইপি পিবিএক্স, এসএমএস গেটওয়ে ইত্যাদি।
অপটিমাম সলিউশন লিঃ : মেলায় প্রদর্শন করছে ওয়েব বেইজড গার্মেন্টস ইআরপি সলিউশন, ডিসিসি হোল্ডিং সিস্টেম এছাড়াও এ প্রতিষ্ঠানে তাদের বিভিন্ন পণ্যে দিচ্ছে নজর কাড়া ডিসকাউন্ট।
স্যাটকম আইটি লিঃ : প্রদর্শন করছে একাউন্টিং, হসপিটাল ম্যানেজম্যান্ট, ইআরপি, রেজাল্ট প্রসেসিং, শেয়ার ম্যানেজম্যান্ট, ইনভেন্টরী, বিলিং সিস্টেম ইত্যাদি।
সার্ভিস ইঞ্জিন লিঃ : প্রদর্শন করছে ডাটা এনালাইসিস, ওয়েব এন্ড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মিডিয়া এডভার্টাইজিং ইত্যাদি।
মননসফট লিঃ : প্রদর্শন করছে আইটি কনসালটেন্সি, ইআরপি কনসালটেন্সি, হেলথ কেয়ার ইনফরমেশন সিস্টেম, টেলি মেডিসিন, ক্যাম্পাস ম্যানেজম্যান্ট ইত্যাদি।
সফটবাংলা অটোমেশন লিঃ : প্রদর্শন করছে ই আর পি সফটওয়্যার প্রোডাক্ট ইত্যাদি।
এক্সপ্রেস সিস্টেমস লিঃ : প্রদর্শন করছে মোবাইল ফোন এন্ড টেলিকম প্রোডাক্ট মার্কেটিং, এগ্রো ফিসারিজ, গার্মেন্টস মেশিনারীস, সিকিউরিটি সিস্টেম ইত্যাদি।
ওয়ান সিমটেক লিঃ : প্রদর্শন করছে এটেনডেন্স এন্ড একসেস কন্ট্রোল সিস্টেম, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েবসাইট এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট , আইটি কনসালটেন্সি,নেটওয়ার্ক সলিউশন ইত্যাদি।
সফটেক লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান রিটেল বিজনেস অ্যাপ্লিকেশন, রেস্টুরেন্ট ম্যানেজম্যান্ট, রিয়েল এস্টেট ম্যানেজম্যান্ট, হসপিটাল ম্যানেজম্যান্ট, একাউন্টিং সলিউশন, টাইম এটেন্ডেন্স সলিউশন, গার্মেন্টস ইত্যাদি।
সলিউশন ৯ : মেলায় নিয়ে এসেছে ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার, রিয়েল এস্টেট রিকারিং সিস্টেম, বিডিএ কনফারেন্সিং সলিউশন, একউিন্টিং সফটওয়্যার, পয়েন্ট অব সেল, টেলকো বিলিং, ই-কমার্স সলিউশন, পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিসেস ইত্যাদি।
সোর্স কোড সলিউশন বিডি : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান হসপিটাল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ওয়েব সাইট ডেভেলপমেন্ট এবং বিডিল্যাপটপস ডটকম পোর্টাল প্রদর্শন করছে।
ইস্পুরন টেকনোলজি : প্রদর্শন করছে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, বিট ডিফেন্ডার এন্টিভাইরাস, র‌্যাপিডশেয়ার, ডিইউ মিটার, ব্যাবিলন, আইডিএম ইত্যাদি।
স্কয়ার ইনফরমেটিক্স লিঃ : ইআরপি সিস্টেম, সেলস অর্ডার ম্যানেজম্যান্ট, প্লানিং, প্রোডাকশান, ইনভেন্টরী, একাউন্স এন্ড ফাইনান্স, এইচ আর এন্ড পে-রুল ম্যানেজম্যান্ট, এটেন্ডেন্স ম্যানেজম্যান্ট, ভিহিক্যাল ম্যানেজম্যান্ট, পয়েন্ট অব সেল ইত্যাদি প্রদর্শন করছে এই প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও তারা ভিস্যাট এবং রেডিও লিংক ও নেশন ওয়াইড ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার।
সিসনোভা ইনফরমেশন সিস্টেমস লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে ইআরপি, মেডিক্যাল রেকর্ড সিস্টেম, মাইক্রোক্রেডিট ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার ইত্যাদি।
টেকনো কাউন্ট সফটওয়্যার লিঃ : প্রদর্শন করছে ইআরপি সফটওয়্যার, বিজনেস সলিউশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।
টেকনো হ্যাভেন কোম্পানী লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে অটোমেটেড ইভেন্ট ম্যানেজম্যান্ট, বিজনেস প্রসেস অটোমেশন, কনসাল্টিং সার্ভিস, কাস্টম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস, ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজম্যান্ট, প্র্েরজক্ট ম্যানেজম্যান্ট, সফটওয়্যার মেইনটেনেন্স, আইসিটি এডুকেশন ইত্যাদি।
টেকনো ভিস্তা লিঃ : প্রদর্শন করছে ই-গভানের্স সলিউশন, বিজনেস সফটওয়্যার, ই-কমার্স সলিউশন, ওয়েব বেজড সলিউশন এন্ড ডাটাবেজড ড্রাইভেন ওয়েবসাইটস ইত্যাদি।
দি কম্পিউটার্স লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে একাউন্টিং ইনভেন্টরী কন্ট্রোল, গ্রাফিক্যাল আউটফুটস এন্ড ইজি ইন্টারফেস, স্কুল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ক্লিনিক ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম।
দি ডাটাবিজ সফটওয়্যার লিঃ : প্রদর্শন করছে ডিস্ট্রিবিউশন এন্ড ট্রেডিং ইআরপি, এডুকেশনাল ইআরপি, রিয়েল এস্টেট ম্যানেজম্যানট ইআরপি, ইনভেন্টরী এন্ড একাউন্টিং সফটওয়্যার, রেস্টুরেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার ইত্যাদি।
দি ডিকোড লিঃ : জিআইএস এন্ড ফটোগ্রামেট্রি, প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল ম্যাপিং, এরিয়াল ট্রায়াঙ্গুলেশন, অর্থোফটো, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি প্রদর্শন করছে এই প্রতিষ্ঠান।
বিডি জবস ডট কম লিঃ : প্রদর্শন করছে অনলাইন জব এডভার্টাইজমেন্ট, কর্পোরেট মেম্বারশীপ, ই-রিক্রুমেন্ট সিস্টেম, কর্পোরেট ট্রেনিং, এইচ আর কনসালটেন্সী ইত্যাদি।
বিকাশ লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস যেমন, রেজিস্ট্রেশন, পেমেন্ট থ্রো, ডিপোজিট, চেক স্টেটম্যান্ট ইত্যাদি।
এডভান্সড ইআরপি বিডি লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান প্রদর্শন করছে ইআরপি পারচেজ, ইনভেন্টরী, প্রোডাকশান, সেলস, একাউন্টস, হসপিটাল ম্যানেজম্যান্ট, কো-অপারেটিভ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, কোল্ড স্টোরেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, এয়ারলাইন্স জিএসএ সিস্টেম, গার্মেন্টস ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, রিয়েল এস্টট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম ইত্যাদি।
কেসাডা টেকনোলজি বাংলাদেশ লিঃ : মেলায় এই প্রতিষ্ঠান প্রদর্শন করছে ব্যাংক এশিয়ার অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস যেমন, অ্যালার্ট পে ফর শপার্স, অ্যালার্ট পে ফর সেলারস, অ্যালার্ট পে প্রি-পেইড ডেভিট কার্ড ইত্যাদি।
মেলায় মোবাইল এপ্লিকেশন এন্ড সলিউশন জোনে ছিল যারা:
এমএম সার্ভিসেস লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে মোবাইল এন্ড ইন্টারনেট কন্টেন্ট এন্ড ভেল্যু অ্যাডেড সার্ভিসেস এন্ড সলিউশনস।
মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এন্ড কমিউনিকেশন লিঃ : প্রদর্শন করছে মোবাইল এপ্লিকেশন, ইন্টারনেট রেডিও, সিটিজেন জার্নালিজম ওয়েবসাইট , অন্যান্য আইটিইএস সার্ভিসেস ইত্যাদি।
টেকভিশন সিস্টেম এন্ড সলিউশনস লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে টেকভিশন এসএসএল, আইভি আর সফটওয়্যার ইঞ্জিন, ভয়েস কনটেন্ট ডিসেমিনেশন সিস্টেম ইত্যাদি।
ওয়াল্ড সফট লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে মোবাইল এপ্লিকেশন এন্ড রিলেটেড প্রোডাক্টস, আরএফআইডি সলিউশনস, মোবাইল এন্ড ক্লাউড ইআরপি ইত্যাদি।

মেলায় ক্লাউড এন্ড কমিউনিকেশন জোনে যারা:
অগ্নি সিস্টেমস লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে আইপি টেলিফোনি সলিউশনস, আইপি পিবিএক্স সলিউশনস, আইপি ফোনস, আইপি পিবিএক্স, ইন্টারনেট সার্ভিসেস ইত্যাদি।
কোলো সিটি : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে মাল্টিপল সার্ভিস অপশনস, ডাটা সেন্টার ফ্যাসিলিটিজ ইত্যাদি।

ডাটা সেন্টার বাংলাদেশ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ভিওআইপি বিলিং প্লাস, ফ্লেক্সিলোড ডায়ালার, হোস্টিং এন্ড ডেডিকেডেট সার্ভার রেন্ট, ইন্সট্যান্ট ওয়েব সাইট ক্রিয়েটর, অনলাইন রেডিও, অনলাইন শপ ইত্যাদি।
ই-মিডিয়া বাংলাদেশ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার, ডোমেইন, হোস্টিং, অনলাইন পেমেন্টস, ডোমেইন এন্ড হোস্টিং রিসেলার, এসএমএস মার্কেটিং, গুগুল এন্ড ফেসবুক এড, ই-মেইল হোস্ট, ই-কমার্স, কল সেন্টার ইত্যাদি।
আইবল নেটওয়ার্কস : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে মেসেজিং, ভিওআইপি, ভিডিও টেলিফোনি, এনএটি ট্রেভারসেল সলিউশনস ইত্যাদি।
আইসটি সলিউশনস লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, আউটসোসিং সার্ভিসেস, সিকিউরিটি ইত্যাদি।
জে.এ.এন এসোসিয়েটস : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ইন্টারঅ্যাকটিভ হোয়াইট বোর্ড, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
মেট্রোনেট বাংলাদেশ লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ডাটা কানেকটিভিটি সার্ভিসেস, ডেডিকেডেট ইন্টারনেট সার্ভিস, ম্যানেজড সার্ভিস, আইপি টেলিফোন সার্ভিসেস, এন্টারপ্রাইজ সলিউশনস ইত্যাদি।
মুন নেটওয়ার্কস লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে আইপি টেকনোলজি রিলেটেড সফটওয়্যার, ই-ক্যাশ ফর ভিওআইপি একাউন্টিং, মুন বিলিং ফর ভিওআইপি সুইচ, ওয়েব বেজড ই-রিফিল, বিজনেস সলিউশন সফটওয়্যার, ইনভেন্টরী সফটওয়্যার, ভেহাইক্যাল ট্রেকার ইত্যাদি।
অদ্বিতীয় টেকনোলজি লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ডাটা গার্ড, সিকিউরিটি, ডাটা ওয়্যারহাউজ, ডেভেলপার, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ইআরপি ইত্যাদি।
পি ল্যাবস বাংলাদেশ লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে সফটওয়্যার, শেয়ার ট্রেডিং, এডুকেশন ম্যানেজম্যান্ট, ইনভেন্টরী, একাউন্টিং, একসেস কন্ট্রোল, সোলার চার্জ কন্ট্রোলার, মাইক্রোকন্ট্রোলার ট্রেনিং, ওয়েবসাইট, ফায়ারবল ইত্যাদি।
ইউনিকর্ন সফটওয়্যার এন্ড সলিউশনস : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে একাউন্টিং এন্ড ইআরপি সলিউশনস, লজিস্টিক ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার, ভ্যাট ম্যানেজম্যান্ট, ই-লারনিং ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম ইত্যাদি।
ভয়েসটোন টেলিকম কর্পোরেশন : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে সফটসুইচ, বিলিং, কলিং কার্ড, মোবাইল ডায়ালার, কলব্যাক সিস্টেম, পিনলেস সিস্টেম,ওয়াইফাই বিলিং ইত্যাদি।
ভক্সভ্যালী টেকনোলজিস প্রাইভেট লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ভক্স ডায়ালার, পিসি২ফোন ডায়ালার এপ্লিকেশন, ভক্স ব্রিজ টিউনিং সলিউশন ইত্যাদি।

মেলায় আইটিইএস এন্ড বিপিও জোনে যারা:
ডেভনেট লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ডেভনেট বিপিও সার্ভিসেস, ডকুমেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সলিউশন, স্কেনিং সলিউশন, অটোমেটিক ডাটা ক্যাপ্সার সলিউশন, ইনোভেটিভ বুক স্কেনিং সলিউশন ইত্যাদি।
ওরেঞ্জ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ওয়েব এপ্লিকেশনস, জবসাইন বিডি ডট কম।
জানালা বাংলাদেশ লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে ইনফো সেন্টার, টাচ স্ক্রীন বেজড কিওসক্, ইন্টারনেট কিওসক্, ডিপোজিট কিওসক্ ইত্যাদি।
মেলায় আউটসোর্সিং জোনে স্টল সাজিয়েছিল যারা:
আউটসোর্সিং এর উপরে মেলায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

অ্যালবাট্রস টেকনোলজিস লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে অনলাইন একাউন্টিং সফটওয়্যার, পস এন্ড এমএলএম সফটওয়্যার, ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, এসইও সার্ভিস, ই-কমার্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি।
আমরাবী লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে আইটি ডেভেলপমেন্ট এন্ড মেইনটেনেন্স।
কোডমেন সলিউশনস : মেলায় প্রদর্শন করছে ওয়েব, মোবাইল এন্ড ডেক্সটপ অ্যাপ ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, সিএমএস, ব্লগ, ই-কমার্স, এসইও, অনলাইন এন্ড অফলাইন মার্কেটিং, ওয়েবসাইট মেইনটেনেন্স, ডেডিকেডেট হোস্টিং, ইআরপি, মোবাইল এপস ইত্যাদি।
সিএসএল সফটওয়্যার রিসোর্স লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে ইআরপি সলিউশন এপারেল/টেক্সটাইল ম্যানুফেকচারীং ইন্ডাস্ট্রি, রিয়েল এস্টেট এন্ড কনস্ট্রাকশান ইন্ড্রাস্ট্রি, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, ফাইনান্সিয়াল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম ইত্যাদি।
হাবিব ইন্টেলিজেন্ট সফটওয়্যার লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে অনলাইন একাউন্টিং সফটওয়্যার, স্মার্ট ক্যাশ বুক, শেয়ার ব্যাক অফিস ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, রিয়েল এস্টেট ইআরপি এপ্লিকেশন, মাইক্রো ফাইনান্সিং এপ্লিকেশন সফটওয়্যার, বিলিং এপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ডাটা সর্টিং, প্রসেসিং এবং প্রিন্টিং সলিউশন ইত্যাদি।
ইনফ্রেব্লু টেকনোলজি : মেলায় প্রদর্শন করছে সোস্যাল ফিটনেস নেটওয়ার্ক, ডিল সাইট, ফেসবুক এপস ইত্যাদি।
নাজডাক টেকনোলজি লিঃ : মেলায় নিয়ে এসেছে ব্যাংকিং সলিউশন, ই-কমার্স সলিউশন, হেলথ কেয়ার সলিউশন, স্টুডেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সলিউশন, ইন্টারঅ্যাকটিভ বোর্ড সলিউশন, নেটওয়ার্কিং সলিউশন ইত্যাদি।
সিনটেক সলিউশন লিঃ : মেলায় প্রদর্শন করছে ডেক্সটপ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব বেজড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ইআরপি সফটওয়্যার, এইচ আর এন্ড পে-রুল ম্যানেজম্যান্ট, একাউন্টিং ম্যানেজম্যান্ট, ইনভেন্টরী ম্যানেজম্যান্ট, সেলস ম্যানেজম্যান্ট ইত্যাদি।
ইউ এস সফটওয়্যার লিঃ : মেলায় সার্ভিস দিচ্ছে আইটি আউটসোর্সিং, ওয়েব সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট,  কাস্টমাইজড এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, আইটি ট্রেনিং,টেস্টিং এন্ড প্লেসম্যান্ট। এছাড়াও তারা প্রদর্শন করছে ইনভেন্টরী ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, এইচ আর  এন্ড পে-রোল সিস্টেম, ই-কমার্স সাইট সলিউশন, জব পোর্টাল, হোটেল পোর্টাল, মাল্টি লেবেল মার্কেটিং সলিউশন, ফার্মেসি ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, স্কুল ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম ইত্যাদি।
মেলায় আইটি এডুকেশন জোনে যারা ছিল :
ডাটাপার্ক বিডি লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় প্রদর্শন করছে ওরাকল ডাটাবেজ, পারফরমেন্স টিউনিং, ডিজাস্টার রিকভারী, ডাটা ওয়্যারহাউজ, ওরাকল ডাটাগার্ড, ওরাকল গ্রিড, ওরাকল ইআরপি ইত্যাদি।
ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইউইউ) : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে স্টুডেন্ট প্রজেক্টস অন নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও অন ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকটিভিটিজ, ডেভোলপড সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার প্রোডাক্টস ইত্যাদি।
ম্যাটেওরস ডট কম লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে স্কুল/কলেজ ম্যানেজম্যান্ট সফটওয়্যার, ফ্লেক্সিলোড অটোমেশন সফটওয়্যার, লেজার অনলাইন একাউন্টিং সফটওয়্যার, ই-টিকেটিং ফর ডোমেস্টিক হাইওয়ে বাস সার্ভিস ইত্যাদি।
টেকনো বিডি ওয়েব সলিউশন প্রাইভেট লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে  ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব হোস্টিং এন্ড ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং পোর্টাল ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, আইটি বেজড ট্রেনিং ইত্যাদি।
অপটিমাম সলিউশনস লিঃ : এই প্রতিষ্ঠান মেলায় সার্ভিস ও প্রদর্শন করছে সব ধরনের ইআরপি সলিউশনস।

৫ দিনব্যাপী বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ০১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে রাজশাহীর সর্ববৃহৎ কম্পিউটার মেলা ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, রাজশাহী শাখা এবং আইসিটি বিজসেন প্রমোশন কাউন্সিল (আইবিপিসি) যৌথভাবে এই প্রর্দশনীর আয়োজন করেছে। ০১-০৫ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী জেলা জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রর্দশনীর মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী জেলা জিমনেসিয়ামে বিকেল ৪ টায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে এ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার জনাব মো: ওবায়েদুল্লাহ্, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি জনাব মো: ফয়েজউল্যাহ্ খান এবং, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পরিচালক ও বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তিবিদ জনাব মোস্তাফা জব্বার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, রাজশাহীতে এ ধরনের প্রদর্শনী এখন সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে। এই দাবী পূরণে বিসিএস এগিয়ে আসায় তাদের আমি ধন্যবাদ জানচ্ছি। তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের এ যুগে রাজশাহীতে এই প্রদর্শনী এ অঞ্চলের সর্বসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক বিশ্বে আমাদের দেশের তরুণদের উপযোগী করে তুলতে প্রযুক্তিগত শিক্ষার যেমন বিকল্প নেই, ঠিক তেমনি সর্বশেষ হালনাগাদ প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবহারবিধি সম্পর্কেও তাদের অবহিত হওয়া জরুরী। রাজশাহীতে এ প্রর্দশনী রাজশাহীর শিক্ষার্থীদের জন্য তেমন বার্তাই বহন করবে। আমার বিশ্বাস এ প্রর্দশনীর মাধ্যমে সরকারের ভিশন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ যেমন পূর্ণ হবে ঠিক তেমনি এ অঞ্চলের আইটি শিল্পের প্রসারও হবে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি রাজশাহী শাখার সভাপতি জনাব আশরাফ সিদ্দিকী নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পরিচালক এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী জনাব এ.টি.শফিকউদ্দিন আহমেদ, প্লাটিনাম স্পন্সর প্রতিনধি বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লি: এর হেড অব মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন্স জনাব জি.এম ফারুক খান এবং প্রদর্শনীর আহবায়ক ও রাজশাহী শাখা কমিটির সেক্রেটারি জনাব আবুল ফজল কাশেমী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি জনাব মো: মইনুল ইসলাম, মহাসচিব জনাব মো: শাহিদ-উল-মুনীর, কোষাধ্যক্ষ জনাব মো: জাবেদুর রহমান শাহীন, পরিচালক মো: মজিবুর রহমান স্বপন এবং রাজশাহী শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ বিসিএস এর বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দ।
প্রদর্শনীর  উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই মেলা সকলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর এ সময়ে মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত হয় বিভিন্ন বয়সের মানুষের পদচারণায়। প্রর্দশনীতে পণ্য প্রদর্শন ছাড়াও রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, আলোচনা সভা, কুইজ, শিশুতোষ চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, ফ্রি                                      ইন্টারনেট জোন, ফ্রি গেমিং জোনসহ নানা আয়োজন। প্রায় ২৫,০০০ বর্গফুট স্থান জুড়ে ৩৫টি স্টল ও ৫টি প্যাভেলিয়নে ৩৩ টি প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্রযুক্তি সামগ্রী প্রদর্শন করবে।
প্রর্দশনীতে তথ্যপ্রযুক্তির দেশী-বিদেশী জনপ্রিয় ও সুপরিচিত ব্র্যান্ড, আমদানিকারক, প্রস্তুকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার পণ্যসামগ্রী, নেটওয়ার্ক ও ড্যাটা কমিউনিকেশন, টেলিকম সেবা ও পণ্যসামগ্রী, মাল্টিমিডিয়া, আইসিটি শিক্ষা উপকরণ, ল্যাপটপ, পামটপ, ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক প্রযুক্তি ও পণ্য ইত্যাদির উন্নত ও হালনাগাদ সংস্করণ প্রদর্শন করবে। রাজশাহীর বৃহত্তম এই কম্পিউটার মেলাকে বৈচিত্র্যময় করতে পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রদর্শনীর তৃতীয় দিন ৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিতব্য শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বয়স ও বিষয়ভিত্তিক তিনটি গ্রুপে স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। প্রতিযোগিতায় গ্রুপগুলো হলো – ক গ্রুপ (বয়স: ৩-৬ বছর), খ গ্রুপ (৭-১০ বছর) এবং গ গ্রুপ (১১-১৪ বছর)। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মেলা চলাকালে মেলা প্রাঙ্গনে বিসিএস এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ও প্রতিযোগিতার স্থলে এক ঘণ্টা আগে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
মেলার প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। বিসিএস এর ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহীতে ২০১২’- এর প্রদর্শনীতেও স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখানো সাপেক্ষে বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও মেলার বিক্রিত টিকেট নিয়ে সমাপনি দিনে অনুষ্ঠিত হবে র‌্যাফেল ড্র। আর এতে থাকবে বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার। এছাড়া প্রদর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়োজনে মেলায় থাকবে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বিশেষায়িত প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতা।
মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ফোর জি প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেড, গোল্ড স্পন্সর হিসেবে থাকছে বিশ্বখ্যাত ল্যাপটপ ব্র্যান্ড ফুজিৎসু, কম্পিউটার এক্সেসরিজ ব্র্যান্ড লজিটেক এবং বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড স্যামসাং। সিলভার স্পন্সর হিসেবে থাকছে সাড়া জাগানো ল্যাপটপ ব্র্যান্ড আসুস এবং দেশীয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কম্পিউটার সেন্টার (ইউসিসি)। প্রদর্শনীর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে সময় টেলিভিশন, দৈনিক সোনার দেশ এবং রেডিও পদ্মা। ওয়েব পার্টনার হিসেবে থাকছে নর্থ বেঙ্গল আইটি লি:। প্রর্দশনীর চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার স্পন্সর বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেড, উদ্বোধনী ডিনার স্পন্সর ফুজি ক্যামেরা, টিকেট স্পন্সর কম্পিউটার সোর্স লি:, টিকেট কাউন্টার স্পন্সর সোর্সএজ লিমিটেড, ভলান্টিয়ার ড্রেস স্পন্সর কম্পিউটার সোর্স লি:, সমাপনি ডিনার স্পন্সর সিষ্টেম প্যালেস।
প্রর্দশনী প্রাঙ্গনে বিসিএস এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এখান থেকে যে কোন রকমের তথ্য ও সেবা নিতে পারবেন যে কেউ। এ ছাড়াও মেলায় আগত দর্শনার্থী, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের যে কোন ধরনের সহায়তার জন্য একটি বিশেষ টিম মেলা প্রাঙ্গনে নিয়োজিত থাকবে। মেলায় সাধারণ নিরাপত্তা, লোকচলাচল নিয়ন্ত্রণ, পণ্য বিক্রি এবং টিকেট চেকিং এর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা দল সব সময় কাজ করবে।

এ অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করতে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে
আশরাফ সিদ্দিকী নূর
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, রাজশাহী শাখা

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি রাজশাহী শাখার আয়োজনে আগামী ১-৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’ শিরোনামে তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী।  তৃণমূল পর্যায়ের জনগোষ্ঠীকে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ব্যবহারে সচেতন করে তুলতে এবং প্রযুক্তির আধুনিক সংষ্করণ সম্পর্কে তাদের অবহিত করতে এ ধরনের প্রর্দশনী অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে। এ অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করতে এটি হবে শক্তিশালী মাধ্যম। প্রদর্শনীটি যেন সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি সচেতনতা বৃদ্ধি করে, শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণীর চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়, তথ্যের অবাধ ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধিতে অনুপ্রাণিত করে সে জন্য এ প্রদর্শনীতে থাকছে তথ্যপ্রযুক্তি সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার, দর্শনার্থীদের জন্য গেমিং জোন, শিশুতোষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগসহ নানাবিধ আয়োজন। ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’ এর সফলতা কামনা করছি।

গোটা দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য প্রস্তুত করতেই তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী নিয়ে বিসিএস এর দেশব্যাপী ছুটে চলা
মো: ফয়েজউল্যাহ্ খান, সভাপতি, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি

ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) অগ্রণী, ভবিষ্যত-দ্রষ্টা এবং উন্নয়ন অনুঘটক হিসেবে নিরন্তর সক্রিয় আছে। সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে এসব প্রযুক্তিপণ্য পৌঁছানো এবং এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতের সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষা-গবেষণা এবং দাপ্তরিক কাজসহ প্রাত্যহিক জীবনের সকল কাজে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তি ও সফ্টওয়্যার শিল্পকে কাজে লাগিয়ে এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংষ্কৃতিক ও ব্যক্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিসিএস-এর প্রচেষ্টা অন্তহীন। বিসিএস-এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৮ সালে কম্পিউটার ও কম্পিউটার সামগ্রির উপর থেকে ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। বিসিএসই প্রথম আওয়াজ তোলে ইন্টারনেট সকলের জন্য উন্মুক্ত করার। ১৯৯৩ সালে দেশে প্রথমবারের মতো কম্পিউটার মেলার আয়োজন করে। সেই থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৪ বছর ধরে বিভিন্ন নামে বিভিন্ন শিরোনামে দেশের বিভিন্ন  স্থানে এ ধরনের প্রদর্শনীর সফল আয়োজন করে আসছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্পের এই জাতীয় সংগঠন। সমিতি শুধুমাত্র ঢাকাতেই এ ধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন করে না, ঢাকার বাইরে বিভাগীয় ও জেলা শহরে এমন আয়োজন করে থাকে। এই চলমান ধারাকে আরও গতিশীল করতেই তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী নিয়ে আমাদের দেশব্যাপী ছুটে চলা।
গোটা দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য প্রস্তুত করতেই বিসিএস-এর রাজশাহী শাখা আগামী ১-৫ ফেব্রুয়ারি আয়োজন করছে ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’ শিরোনামে তথ্যপ্রযুক্তির প্রর্দশনী। রাজশাহী জেলা জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত ৫ দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে রাজশাহী-সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জনগণকে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করা সম্ভব। এই প্রদর্শনী প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠী এবং এখানকার তরুণ শিক্ষার্থীদের কাছে প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণ পৌঁছানোর কে। ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সর্বোপরি এ প্রদর্শনী রাজশাহীর আইসিটি শিল্পের বিকাশে নতুন সূচনা এনে দেবে বলে আমার বিশ্বাস। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি, রাজশাহী শাখা কমিটি, প্রদর্শনী স্পন্সর, প্রদর্শক, দর্শক এবং সমিতির সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’-এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এ প্রদর্শনী রাজশাহীর প্রযুক্তিপ্রিয় বন্ধুদের মিলনমেলায় পরিনত হোক।

ডিজিটাল প্রযুক্তির নতুন নতুন আবিষ্কার ও জীবনধারার প্রবাহকে উপস্থাপন করবে এ প্রদর্শনী
মোঃ আবুল ফজল কাশেমী, আহবায়ক, বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২
সেক্রেটারি, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, রাজশাহী শাখা

দেশের উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধ নগরী রাজশাহীর জনগণকে তথ্যপ্রযুক্তির সংস্পর্শে নিয়ে আসতে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি রাজশাহী শাখা এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল আয়োজন করছে ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’। আগামী ১-৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ আয়োজনে দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান তাদের প্রযুক্তি পণ্য প্রর্দশন করবে। প্রদর্শনীর শ্লোগান ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’। এ আয়োজনকে বর্নিল, জ্ঞানমনষ্ক, শিক্ষামূলক, ব্যবসাবান্ধব এবং চমকপ্রদ করতে সবরকম চেষ্টা করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণের কাছে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল পৌঁছানো,  তথ্যের অবাধ ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তির সামষ্টিক ব্যবহারকে অনুপ্রাণিত করতে স্কুল শিক্ষার্থীদের মেলায় বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা, প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপকরণ প্রদর্শন, শিক্ষামূলক সেমিনার, আলোচনা, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও পরামর্শ, র‌্যাফেল ড্র, গেমিং জোন, ফ্রি ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ অনেক আয়োজনে সজ্জিত করা হয়েছে।
‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’ আয়োজনে সহযোগিতার জন্য স্পন্সর প্রতিষ্ঠান, প্রদর্শক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি, রাজশাহী শাখার সকল সদস্যসহ অন্যান্য সহযোগীদের প্রতি রইলো আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা। প্রদর্শনীতে মোট ৩৩টি দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান ৩৫টি স্টল এবং ৫টি প্যাভিলিয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির নতুন নতুন আবিষ্কার ও জীবনধারার প্রবাহকে উপস্থাপন করবে। সফল হোক ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো রাজশাহী ২০১২’।

৫ দিনব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো বরিশাল ২০১২

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ধান, নদী ও খালের বিভাগীয় শহর বরিশালের সর্ববৃহৎ কম্পিউটার মেলা ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো বরিশাল ২০১২’। বসন্তের প্রথম প্রহরে তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি খাতের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, বরিশাল শাখা এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (আইবিপিসি) যৌথভাবে এই প্রর্দশনীর আয়োজন করেছে। ১৩-১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রর্দশনীর মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব মো: শওকত হোসেন হিরন বরিশাল ক্লাবে সকাল ১০.৩০ মিনিটে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে এ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি জনাব এস.এম ইকবাল, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি জনাব মো: ফয়েজউল্যাহ্ খান এবং সমিতির সহ-সভাপতি জনাব মো: মইনুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বরিশাল সিটি মেয়র তার বক্তব্যে বলেন, বরিশালে এ ধরনের প্রদর্শনীর এখানকার জনগণের জন্য তো অবশ্যই এমনকি বরিশালের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের এ যুগে নদীমাতৃক বরশিালে বিসিএস এর এ আয়োজন নদী অঞ্চলের তৃণমূল মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তির সংস্পর্শে নিয়ে আসা এবং এসবের ব্যবহার বিধি সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করবে। প্রদর্শনীটি সর্বসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো দেশ আজ অগ্রগামী হচ্ছে, সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহারে কর্মসম্পাদনের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচিকে বাস্তবায়নের রূপরেখায় উন্নীত করতে বরিশালের এ আয়োজন ভূমিকা রাখবে এবং এ অঞ্চলের তথ্য ও যোগাযোগ শিল্পের প্রসার হবে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি বরিশাল শাখার সভাপতি জনাব মো: মনোয়ার হোসেন হারুনের সভাপতিত্বে¡ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কোষাধ্যক্ষ এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী জনাব মো: জাবেদুর রহমান শাহীন, প্লাটিনাম স্পন্সর প্রতিনিধি কম্পিউটার সোর্স লিমিটেডের পরিচালক জনাব এ.ইউ খান জুয়েল এবং প্রদর্শনীর আহবায়ক ও বরিশাল শাখা কমিটির সেক্রেটারি জনাব শাহ্ বোরহান উদ্দিন আদনান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির মহাসচিব জনাব মো: শাহিদ-উল-মুনীর, পরিচালক জনাব এ.টি.শফিক উদ্দিন আহমেদ, বিসিএস কম্পিউটার সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মজহার ইমাম চৌধুরী পিনু, বিসিএস সদস্য জনাব মো: ওয়াহিদুল হাসান দীপু এবং বরিশাল শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ বিসিএস এর বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দ।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই মেলা সকলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর এ সময়ে মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত হয় বিভিন্ন বয়সের মানুষের পদচারণায়। প্রর্দশনীতে পণ্য প্রদর্শন ছাড়াও রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, কুইজ, শিশুতোষ চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, ফ্রি ইন্টারনেট জোন, ফ্রি গেমিং জোনসহ নানা আয়োজন। প্রায় ২০,০০০ বর্গফুট স্থান জুড়ে ৩০টি স্টলে ২৫ টি প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্রযুক্তি সামগ্রী প্রদর্শন করবে।
বরিশালের বৃহত্তম এই কম্পিউটার মেলাকে বৈচিত্র্যময় করতে পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় বিজনেস ল্যান্ড এর সৌজন্যে থাকছে দর্শনার্থীদের জন্য জমকালো সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রদর্শনীর তৃতীয় দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সকাল ১১টায় রয়েছে প্রদর্শনী বিতর্ক। ১৬ ফেব্রুয়ারি রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি সচেতনতা কর্মসূচি, প্রদর্শনী বিতর্ক এবং বিকালে অনুষ্ঠিতব্য শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বয়স ও বিষয়ভিত্তিক তিনটি গ্রুপে স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। প্রতিযোগিতায় গ্রুপগুলো হলো – ক গ্রুপ (বয়স: ৩-৬ বছর), খ গ্রুপ (৭-১০ বছর) এবং গ গ্রুপ (১১-১৪ বছর)। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মেলা চলাকালে মেলা প্রাঙ্গনে বিসিএস এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে  ও প্রতিযোগিতার স্থলে এক ঘণ্টা আগে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
মেলার প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। বিসিএস এর ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো বরশিাল ২০১২’- এর প্রদর্শনীতেও স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখানো সাপেক্ষে বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও মেলার বিক্রিত টিকেট নিয়ে সমাপনি দিনে অনুষ্ঠিত হবে র‌্যাফেল ড্র। আর এতে থাকবে ল্যাটপসহ সমজাতীয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার। এছাড়া প্রদর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়োজনে মেলায় থাকবে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বিশেষায়িত প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতা।
মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার ব্র্যান্ড ডেল, ফুজিৎসু, এক্সসরজি ব্র্যান্ড লজিটেক এবং এন্টিভাইরাস নরটন; গোল্ড স্পন্সর হিসেবে থাকছে আরেকটি বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড তোশিবা এবং দেশীয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কম্পিউটার সেন্টার (ইউসিসি)। সিলভার স্পন্সর হিসেবে থাকছে দেশীয় মোবাইল এক্সেসরিজ প্রতিষ্ঠান অনিক টেলিকম এবং প্রিন্টার ব্র্যান্ড কনিকা মিনোল্টা। প্রদর্শনীর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে সময় এটিএন বাংলা এবং দৈনিক মতবাদ। টিকেট স্পন্সর ইনফ্রা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, টিকেট কাউন্টার স্পন্সর এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড, ভলান্টিয়ার ড্রেস স্পন্সর ইমাম টেলিকম, চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা স্পন্সর অমৃত কনজ্যুমারস ফুড প্রোডাক্টস লি:, সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্পন্সর বিজনেসল্যান্ড এবং পরিবহন স্পন্সর এসিআই আইটি লি: ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮ টায় এ প্রদর্শনীর সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। প্রর্দশণী প্রাঙ্গনে বিসিএসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এখান থেকে যে কোন রকমের তথ্য ও সেবা নিতে পারবেন যে কেউ। এ ছাড়াও মেলায় আগত দর্শনার্থী, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের যে কোন ধরনের সহায়তার জন্য একটি বিশেষ টিম মেলা প্রাঙ্গনে নিয়োজিত থাকবে। মেলায় সাধারণ নিরাপত্তা, লোকচলাচল নিয়ন্ত্রণ, পণ্য বিক্রি এবং টিকেট চেকিং এর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা দল সব সময় কাজ করবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি বরিশাল শাখার আয়োজনে গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি বরিশালে কাবে শুরু হওয়া ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো বরিশাল ২০১২’ প্রথম থেকেই জমে উঠেছে দর্শনার্থীদের পদচারণায়। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের সকাল থেকেই আসতে শুরু করে প্রর্দশনীতে।  আগত দর্শনার্থীরা ল্যাপটপ এবং সমজাতীয় পণ্য ছাড়াও নিত্য ব্যবহার্য অন্যান্য প্রযুক্তি পণ্যের প্রতিও তাদের আগ্রহ দেখাচ্ছে। মেলায় প্রদর্শক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণগুলো ছাড়াও নিত্যব্যবহার্য প্রযুক্তি পণ্যগুলোও প্রর্দশন করছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা ল্যাপটপের প্রতি তাদের আগ্রহ বেশি দেখাচ্ছে এবং পছন্দসই পণ্যটি কিনে নিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রদর্শক প্রতিষ্ঠান তাদের প্রযুক্তি পণ্যের উপর বিশেষ উপহার, নগদ ছাড়সহ নানাবিধ উপহার দিয়ে দর্শক আকৃষ্ট করছে। প্রর্দশনীর গেমিং জোনে ছিল শিশুদের ভীড়, এছাড়াও ইন্টারনেট জোনেও ছিল লক্ষণীয় দর্শক সমাগম। প্রদর্শনীতে কুইজ ছাড়াও সন্ধ্যায় বিজনেসল্যান্ডের সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। আজ শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বয়স ও বিষয়ভিত্তিক তিনটি গ্রুপে স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় গ্রুপগুলো হলো – ক গ্রুপ (বয়স: ৩-৬ বছর), খ গ্রুপ (৭-১০ বছর) এবং গ গ্রুপ (১১-১৪ বছর)। আগামীকাল প্রদর্শনীর তৃতীয় দিন প্রদর্শনী বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে।

২৫,০০০ বর্গফুট স্থান জুড়ে প্রর্দশনীতে তথ্যপ্রযুক্তির দেশী-বিদেশী ৩৫টি স্টল ও ৫টি প্যাভেলিয়নে ৩৩ টি জনপ্রিয় ও সুপরিচিত ব্র্যান্ড, আমদানিকারক, প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার পণ্যসামগ্রী, নেটওয়ার্ক ও ড্যাটা কমিউনিকেশন, টেলিকম সেবা ও পণ্যসামগ্রী, মাল্টিমিডিয়া, আইসিটি শিক্ষা উপকরণ, ল্যাপটপ, পামটপ, ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক প্রযুক্তি ও পণ্য ইত্যাদির উন্নত ও হালনাগাদ সংস্করণ প্রদর্শন করবে। প্রদর্শনীর তৃতীয় দিন ৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিতব্য শিশুদের জন্য
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই মেলা সকলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর এ সময়ে মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত হয় বিভিন্ন বয়সের মানুষের পদচারণায়। প্রর্দশনীতে পণ্য প্রদর্শন ছাড়াও রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, কুইজ, শিশুতোষ চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, ফ্রি ইন্টারনেট জোন, ফ্রি গেমিং জোনসহ নানা আয়োজন। প্রায় ২০,০০০ বর্গফুট স্থান জুড়ে ৩০টি স্টলে ২৫ টি প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্রযুক্তি সামগ্রী প্রদর্শন করবে।
বরিশালের বৃহত্তম এই কম্পিউটার মেলাকে বৈচিত্র্যময় করতে পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় বিজনেস ল্যান্ড এর সৌজন্যে থাকছে দর্শনার্থীদের জন্য জমকালো সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এই প্রদর্শনী বরিশালের আপামর জনসাধারণকে তথ্যপ্রযুক্তির হালনাগাদ সংস্করণগুলো সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দিতে সক্ষম হবে এবং নবীন প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে আগ্রহী করে তুলবে

মো: শওকত হোসেন হিরন, মেয়র, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, বরিশাল শাখা ১৩-১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ পর্যন্ত ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো বরিশাল ২০১২’ শীর্ষক প্রদর্শনী আয়োজন করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প ২০১২’ এর অন্যতম অনুষঙ্গ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কাজ সাফল্যের সাথে এগিয়ে চলছে। এ লক্ষে সারা দেশের মতো বরিশালেও তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে এই প্রদর্শনী বরিশালের আপামর জনসাধারণকে তথ্যপ্রযুক্তির হালনাগাদ সংস্করণগুলো সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দিতে সক্ষম হবে এবং একই সাথে নবীন প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে আগ্রহী করে তুলবে। আমি এ প্রদর্শনী আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানচ্ছি এবং এর সফলতা কামনা করছি।

উদ্ভাবন মেলা ২০১২ স্বশিতি উদ্ভাবকদের উদ্ভাবন প্রদর্শনী

আমাদের দেশে গ্রাম ও শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অনেক উদ্ভাবক। যাদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিÿা নেই, কিন্তু স্বীয় চেষ্টা এবং পরিপাশর্্িবক থেকে সহায়তা নিয়ে নানা ধরনের প্রয়োজনীয় নতুন নতুন জিনিস উদ্ভাবন করেছেন। এসব জিনিসের মধ্যে আছে সোলার মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত সেচ পাম্প, অটো সেচ পাম্প, মোটরযান চুরিরোধক যন্ত্র, পেটের গ্যাস পরিমাপক যন্ত্র গ্যাস্ট্রোমিটার, ধানঝাড়ার মেশিন, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, জলে ও স্থলে চলার উপযোগী উভচর যান, রোড হারমোনিয়াম বিদ্যুৎ, ইলেকট্রিক বাইসাইকেল, অটো নারিকেল কুরানি, জৈব কীটনাশক, ফিশ ফিল্ড হসপিটাল, কৃষি যন্ত্রপাতিসহ আরও নানা উদ্ভাবন। আরও পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রচার পেলে তাদের উদ্ভাবন দেশে পরিচিতি পাবে এবং দেশের মানুষ দেশি পণ্য ব্যবহারে উৎসাহী হবে। এসব কর্মঠ এবং স্বশিতি উদ্ভাবকের কাজে উৎসাহ জোগাতে দ্বিতীয়বারের মতো বিজ্ঞান সংস্থা ডিসকাশন প্রজেক্ট (িি.িফরংপঁংংরড়হঢ়ৎড়লবপঃনফ.ড়ৎম) এবং জনবিজ্ঞান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আগামী ২৭-২৮ জানুয়ারি ফার্মগেটের কাছে বার্ক মিলনায়তনে উদ্ভাবন মেলা ২০১২ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাদের উদ্ভাবনের উৎকর্ষ সাধন, মেধাস্বত্ব লাভ ও বিপণন সুবিধা অর্জনের লÿ্যে উদ্ভাবন মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। শিামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, শিল্প মন্ত্রী দীলিপ বড়ূয়া ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান মেলায় উপস্থিত থাকবেন। উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনের পাশাপাশি দু’দিনে দুটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে। প্রথম দিনের সেমিনারের সম্ভাব্য বিষয়বস্তু হচ্ছে বিদ্যমান আইন, পেটেন্ট ও স্বশিতি উদ্ভাবকদের সমস্যা এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এসব উদ্ভাবকের অবদান। দ্বিতীয় দিনের সেমিনারের সম্ভাব্য বিষয়বস্তু ১. বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ: প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাবনা, ২. যুক্তিবাদী সমাজ গঠনে বিজ্ঞানের ভূমিকা। সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, পদার্থবিজ্ঞানী ড. আলী আসগর, দ্বিজেন শর্মা প্রমুখ। শিল্প উদ্যোক্তা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী এবং ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম উপস্থিত থাকবেন। এ মেলার মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবন দেশে পরিচিত হয়ে উঠুক। আগ্রহীদেরকে – ০১৬৭৪৪০৫৩৩০, ০১৮১৬০১১২১৪, ০১৫৫২৩৫৮০১৮ নাম্বারে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে ।

‘কিউবি ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১২’

‘জ্বালো প্রযুক্তির আলো’- এই শেøাগান নিয়ে ১২ জানুয়ারি থেকে ঢাকায় শুরু হয়েছে ‘কিউবি ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১২’। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোঁনারগাও হোটেলে আয়োজিত এ মেলা চলবে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মেকার কমিউনিকেশন দেশে দশমবারের মতো এ মেলার আয়োজন করছে।  সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক প্রতিষ্ঠান এ তথ্য জানায়। সংবাদ সম্মেলনে কিউবির হেড অব ব্র্যান্ড এন্ড কমিউনিকেশনস সৈয়দ আশিকুর রহমান, এক্সিকিউটিভ টেকনোলজিসের মহাব্যবস্থাপক সালমান আলী খান, স্যামসাংয়ের মার্কেট কমিউনিকেশনস ব্যবস্থাপক মাহমুদ বি কাইয়ুম, এইচপি পার্সোনাল সিস্টেমস গ্রæপ বাংলাদেশের চ্যানেল মার্কেটিং ম্যানেজার প্রতাপ সাহা এবং মেলার সমন্বয়ক ফাবিয়ান খান উপস্থিত ছিলেন।
ফাবিয়ান খান বলেন, এবারের মেলা আগের চেয়ে অনেক বড় ভেন্যুতে আয়োজন করা হচ্ছে। ক্রেতারা যাতে ভীড় এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে পারেন সেজন্য আমাদের এ উদ্যোগ।
সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, এবার নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ল্যাপটপ মেলার পৃষ্ঠপোষকতা করছে কিউবি। সা¤প্রতিক কয়েক বছরে ঢাকায় ল্যাপটপ বিক্রি লক্ষনীয় হারে বেড়েছে, কিউবি ল্যাপটপ মেলা-র এতে অনেক অবদান রয়েছে। এবারের মেলায় কিউবি মাসিক প্যাকেজ সহ প্রতিটি মডেমের সঙ্গে একটি শীতের জ্যাকেট উপহার দিবে। শুধুমাত্র ‘কিউবি ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১২’ -এ সুবিধাটি পাওয়া যাবে। আয়োজকরা বলেন, বিগত চার বছরে ঢাকায় ৬টি এবং চট্টগ্রামে তিনটি সফল ল্যাপটপ মেলার পর এটি মেকার কমিউনিকেশনের আয়োজনে দেশে দশম ল্যাপটপ মেলা। ল্যাপটপ দিনে দিনে দেশের মধ্যবিত্ত জনসাধারনের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসছে। এছাড়া বিদ্যুত না থাকলেও ল্যাপটপে কাজ করার সুবিধা থাকায় সবাই এখন ডেস্কটপের বদলে ল্যাপটপকেই বেছে নিচ্ছেন। আমাদের আয়োজিত প্রতিটি ল্যাপটপ মেলায় দর্শনার্থীদের ভীড়, প্রচুর ল্যাপটপের বিক্রি এবং ক্রেতাদের বিপুল আগ্রহ অন্তত তাই প্রমাণ করে। এবারের মেলায় আরও বেশি ল্যাপটপ বিক্রি হবে বলে আশা করা যায়।
কিউবি এ বছরের ল্যাপটপ মেলার টাইটেল স্পন্সর। আর সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে এসার, আসুস, এইচপি এবং স্যামসাং।
মেলার সব আপডেট সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুকে পাওয়া যাবে। এজন্য িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ছঁনববখধঢ়ঃড়ঢ়ঋধরৎ ফ্যানপেইজটি লাইক করতে হবে। পেইজে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ১০ জন বিজয়ীকে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হবে।
এবারের মেলায় ১২টি প্যাভিলিয়ন ও ৬০টি স্টলে কিউবি, এইচপি, স্যামসাং, কম্পিউটার সোর্স, স্মার্ট টেকনোলজিস, গেøাবাল ব্র্যান্ড, কম্পিউটার ভিলেজ, এক্সিকিউটিভ টেকনোলজিস, এক্সেল টেকনোলজিস, আরএম সিস্টেমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মূল্যছাড়ে আসুস, তোশিবা, এইচপি, স্যামসাং, ডেল, ফুজিৎসু, প্রোলিংক, অ্যাপল, এসার, এমএসআই, কমপ্যাক, গিগাবাইট সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া যাবে। বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপও এ মেলায় উšে§াচিত হবে।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। প্রবেশমূল্য হবে ২০ টাকা। প্রবেশ টিকিটের উপরে র‌্যাফল ড্রয়ের মাধ্যমে ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন সহ বিভিন্ন পুরস্কার দেয়া হবে।

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে আইসিটি ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে ৮ দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার’১১ এর উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী জনাব ড. হাছান মাহমুদ।

১৯ ডিসেম্বর ২০১১ সোমবার সকাল দশটায় দেশের সর্ববৃহত্তম কম্পিউটার মার্কেট মাল্টিপ্ল্যান কম্পিউটার সিটি সেন্টারে ৮দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার-২০১১’ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারের ১৪ তলায় এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রী জনাব ড. হাছান মাহমুদ। চতুর্থবারের মতো আয়োজিত ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ারের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়: Go Green With ICT
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. হাছান মাহমুদ বিশ্বব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয় রোধে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিকে সার্থকভাবে ব্যবহারের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মানুষের আচরণের কারণে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। ফলে পৃথিবী বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির উন্নয়নে আইসিটি ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যকরী সিদ্ধান্তে গত তিন বছরের মধ্যে দেশে আইসিটি সেক্টরের মাধ্যমে উলেøখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন এর মাধ্যমেই একদিন পূরণ হবে।
তিনি আরব বসন্তের উদারণ টেনে বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়েব প্রচারণার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ গণজাগরণ সৃষ্টি করে একনায়কত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেয়েছে। আমরাও যদি আমাদের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ওয়েব প্রচারণার মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারি তাহলে সরকার ঘোষিত ২০২১ সালের আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবে রূপান্তরিত হবে। তিনি দেশের তথা ঢাকার পরিবেশ রক্ষার জন্য ওয়েব প্রচারণাকে কাজে লাগাতে তরুণ প্রজন্মকে আহবান জানান। তিনি আরো জানান, সরকার আইসিটি সেক্টরের ওপরে সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে। সমপ্রতি এজন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ও গঠন করা হয়েছে। উন্নত বিশ্বের উদাহরণ টেনে তিনি এই সেক্টরকে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশকে বদলে দেওয়ার জন্য সংশিøষ্ট সবার প্রতি আহবান জানান। একইসঙ্গে শুধু মেলার আয়োজন নয় আইসিটি সেক্টরের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ কিভাবে রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে ওয়ার্ক প্লান তৈরির জন্য আয়োজকদের উদ্দেশে আহবান জানান।
মন্ত্রী বলেন পুরো বিশ্বের আইসিটি খাতে উন্নয়নের জোয়ার বইতে শুরু করেছে, যার আগাত লাগছে বাংলাদেশেও। তিনি বলেন আইসিটি খাতের বিশাল উন্নয়নের কারনেই আজ ইউরোপে ঘটে যাওয়া যেকোন সংবাদ বাংলাদেশের সূদুর গ্রামাঞ্চলে পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। পুরো বিশ্বে ঘটে যাওয়া আইসিটি খাতের বিশাল উন্নয়নের কথা উলেøখ করতে গিয়ে তিনি বলেন – আইসিটির বিশাল উন্নয়নের কারনেই মানুষ আজ চাঁদে ভ্রমন শুরু করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দশকেই মানুষ বিভিন্ন গ্রহে বিচরন শুরু করবে। পরিবেশ ও জলবায়ুর দিকে নজর দিতে গিয়ে তিনি বলেন – পৃথিবীর জলবায়ু বিরুপ হয়ে যাচ্ছে। শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন – এ অবস্থা চলতে থাকলে একদিন হয়তো ডাইনোসরের মতো মানুষও বিলুপ হয়ে যাবে। পুরো বিশ্বের জলবায়ুর চরম এ মূহুর্তে মাল্টিপ্লানের এই ফেয়ারের শ্লোগানকে তিনি সাধুবাদ জানান। তাঁর মতে এটিই সময়োপযুগী শ্লোগান। তিনি এ ধরনের প্রচারনার প্রয়োজনীয়তার কথা উলেøখ করতে গিয়ে বলেন – ওয়েব বেজড এ ধরনের প্রচারনা অনেক জরুরী। সবুজায়নে এই মূহুর্তে ওয়েব বেজড প্রচারনার বিকল্প নেই। মেলার শ্লোগান সম্পর্কে তিনি বলেন -গ্রো গ্রিন উথ আইসিটি যেন শুধু শ্লোগানেই সীমাবদ্ধ না থাকে; এর জন্য প্রচুর কাজ জরুরী। এ বিষয়ে তিনি সর্বাত্বক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আইসিটি খাতে বর্তমান সরকারের কর্মোদ্যোগ চোখে পড়ার মতো- ড. হাসান মাহমুদ কারন এ সরকারের আমলেই মোবাইল প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারন হয়েছে। অবস্থা এরকমই যে তখন অনেক ভিক্ষুকও মোবাইল ব্যবহার শুরু করেছে। দেশের জনগন এখন আইটি খাতের সাথে অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এ কথা উলেøখ করতে গিয়ে তিনি বলেন – দেশের মানুষের ধ্যান ধারনা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। তবে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ কি এবং এর জন্য কার কি দায়িত্ব তা নিয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন সবাই নিজ দায়িত্বে সজাগ থাকলে এ সরকারের হাতে দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত, পরিবেশ বিপর্যয়মুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। দেশে মেধার অভাব নেই, ইতিহাসে স্থান করে নেয়া বিভিন্ন বাঙ্গালী মেধাবী সন্তানদের কথা স্বরন করে তিনি বলেন – যথাযথ মেধার বিকাশের জন্য দেশাত্ববোধ ও মূল্যবোধের সমন্বয় জরুরী। এছাড়া তিনি আইসিটি খাতের সর্বত ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ন জাতি গড়ার তাগিদ দেন। সর্বশেষ তিনি মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষনা করে এ মেলার সর্বত সাফল্য কামনা করেন।
এ মেলা ব্যবসািয়ক সফলতা বয়ে আনতে সক্ষম হবে- তৌফিক এহ্সোন, আহবায়ক, ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার-২০১১
মাল্টিপ্লান সেন্টার দোকান মালিক সমিতি মার্কেটকে আরো পরিচিত ও প্রচারমুখী করার প্রয়াসে ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত আয়োজন করেছে দেশের বৃহত্তম প্রযুক্তি মেলা ‘ডিজিটার আইসিটি ফেয়ার ২০১১’ এর। এনিযে ৫ম বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে প্রযুক্তির মিলনমেলা ‘ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার’। এবারের মেলা আরো সমৃদ্ধ এবং জাতীয় পর্যায়ের। এ মেলা সব কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের জন্য আনন্দের বার্তা ও ব্যবসািয়ক সফলতা বয়ে আনতে সক্ষম হবে বলে আমার বিশ্বাস। এ মেলা আয়োজনে মাল্টিপ্ল্যান সিটি সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও মেলা আয়োজক কমিটির সব সদস্যকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা। ‘ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার’২০১১ দেশের কম্পিউটার প্রযুক্তি মেলার ভুবনে একটি স্মুতিময় সফলতার মাইল ফলক হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ আয়োজকদের জন্য অনুপ্রেরনার উৎস হয়ে বিরাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এমেলার আহবায়কের দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আইসিটি সেক্টরের কার্যকরী বিকাশের স্বার্থে তরুণ প্রজন্মকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে – জনাব মোস্তফা মহসীন মন্টু
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক সাংসদ ও বৃহত্তর এলিফ্যান্ট রোড দোকান মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তফা মহসীন মন্টু। তিনি বক্তৃতায় আইসিটি সেক্টরের কার্যকরী বিকাশের স্বার্থে বয়োজ্যেষ্ঠদের চেয়ে তরুণ প্রজন্মকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আয়োজকদের প্রতি আহবান জানান। মঞ্চে এসেই সবাইকে তাঁর হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এরপর তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দেয়া ব্যক্তিদের শদ্ধাভরে স্বরন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই নজর করেন মেলার শ্লোগানের উপর। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে সবুজায়নের সূচনা হবে। আইটি খাতের দেশের সফল প্রয়োগের কথা উলেøখ করে তিনি বলেন, দেশের আইটি এর উন্নয়নের জোয়ার বইছে। তিনি বলেন, এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে তরুন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, তরুনদের মনে এ ধরনের ইন্টারেস্ট তৈরী করতে হবে এবং এতেই ব্যবসা আরো অনেক ফলপ্রসু হবে। সবশেষে তিনি প্রযুক্তির এই গণজাগরনে সবাইকে সম্পৃক্ত হবার আহবান জানান।
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তারপর তিনি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে সমস্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণ করেন জাতীয় নেতা সহ, মুক্তিকামী মা বোনদের। তিনি বলেন, স¦প্ন নির্ভর ম্যানডেট করে এগুলে চলবেনা, প্রযুক্তি নির্ভর দেশ গড়তে সবাইকে এগুতে হবে বাসÍবতার নিরিখে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগানকে চ্যালেন্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি দেশের মানুষের মানসিক অবস্থার পরিবর্তনের প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়গুলো যত ডিজিটাইলড হবে দূর্নীতি তত কমবে। সর্বশেষ তিনি দেশে সৃজনশীল মানসীকতার উন্নয়নের কথা বলে মেলার সবাঙ্গীন উন্নয়ন কামনা করেন।
ফয়েজউল্লাহ খান, সদ্য নির্বাচিত বিসিএস প্রেসিডেন্ট
ফয়েজউল্লাহ খান তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বড় এই আইটি সমাবেশে আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে তিনি দেশের আইটি খাতের উন্নয়নের জন্য যেকোন কাজে অংশগ্রহনের জন্য তাঁর সর্বাত্বক প্রয়াস অব্যাহত থাকবে বলেও উলেøখ করেন।
আফতাব উল ইসলাম, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, দেশের মানুষকে ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে পরিচিত করতে এটি একটি বড় উদ্দোগ। তিনি বলেন, একটি দেশের অবস্থা মাপার মাপকাঠি এখন কম্পিউটার এর উপর নির্ভর হচ্ছে। সর্বশেষ তিনি সবার সুন্দর জীবন, স্বার্থক প্রয়াস ও ব্যবসায় লক্ষী কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।

চৌধুরী আফতাবুল ইসলাম : উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যতম চমক চৌধুরী আফতাবুল ইসলাম মাল্টিপ্লানের এ আয়োজনকে দেশের আইসিটি বাড়াতে একটি বড় বিপ্লব হিসেবে উলেøখ করেন। তিনি গ্লোবাল ভিলেজের বাস্তবতার কিছু স্বরুপ দিক তুলে ধরে আইটি বিপ্লব ঘটাতে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারী কার্যকরী উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির চেয়ারম্যান আমির হোসেন খান, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব এস. এ. কাদের কিরণ এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের হেড অব নিউজ চৌধুরী আফতাবুল ইসলাম, মাল্টিপ্ল্যান দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার, কোষাধ্ক্ষ নজরুল ইসলাম হাজারী, সাংগঠনিক সম্পাদক এস, এম ওয়াহিদুজ্জামান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মেলার আহবায়ক ও মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি তৌফিক এহ্সোন।
এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটিসেলের চিফ কাস্টমার কেয়ার অফিসার ও চিফ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসার মাহবুুব হোসেনসহ মেলার আয়োজক কমিটির সকল সদস্য, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী এবং দেশের খ্যাতিমান আইসিটি ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

আটদিন দিনব্যাপী এই মেলায় অংশগ্রহণ করছে দেশের বৃহত্তম এই মার্কেটের প্রায় ৫০০টি আইটি প্রতিষ্ঠান -তৌফিক এহ্সোন
সভাপতির বক্তব্যে তৌফিক এহ্সোন বলেন, আটদিন দিনব্যাপী এই মেলায় অংশগ্রহণ করছে দেশের বৃহত্তম এই মার্কেটের ৪৫০ থেকে ৫০০ টি আইটি প্রতিষ্ঠান। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মার্কেটের ৩য় থেকে ১০ম তলা পর্যন্ত ৯৬ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে আয়োজিত এ মেলায় বিশ্বের স্বনামধন্য বিভিন্ন আইসিটি ব্র্যান্ড এই মেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে।
মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর: সিটিসেল। কো-স্পন্সর হিসেবে রয়েছে: আভিরা, এসার, এসপি সিলিকন পাওয়ার, ম্যাকগ্রীন, ফুজিটসু, হাই-টেক, ভ্যারিকো। এছাড়াও মেলার ইলেকট্রনিক মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে এটিএন নিউজ, রেডিও পার্টনার রেডিও ফূর্তি, এবং প্রিন্ট মিডিয়া পার্টনার: কালের কন্ঠ। ওয়েব পার্টনার: ই-সফট্। মেলায় বিশ্বের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্যসমূহ সুলভ মুল্যে পাওয়া যাবে। এছাড়াও মেলা উপলক্ষ্যে সিটিসেল জুম আলট্রার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বলেও জানানো হয়।
ডিজিটাল আইসিটি মেলায় বিশেষ আয়োজন হিসেবে থাকছে-আইসিটি নিয়ে সেমিনার, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, রক্তদান কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য গেমিং জোন। এছাড়াও মেলা চলাকালীন সময়ে প্রতি ৫ ঘন্টা পর পর প্রবেশ টিকেটের উপর র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। মেলার প্রবেশ টিকেটের মূল্য দশ টাকা মাত্র। ছাত্র-ছাত্রী ও সর্বস্তরের সাংবাদিকদের জন্য মেলায় প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলার সমাপনী আগামী ২৬ ডিসেম্বর।
মেলার ওয়েব পোর্টালের ঠিকানা: িিwww.digitalictfair.com মেলা সম্পর্কে তথ্য জানতে বা জানাতে যোগাযোগ: info@digitalictfair.com events@digitalictfair.com ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার :
মেলা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে মঞ্চে এসেই ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার সবাইকে এরকম একটি আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন – এই মূহুর্তে অন্যতম গুনগুন ডিজিটাল বাংলাদেশ কথাটির সাথে দেশের মানুষকে পরিচিত করার জন্য এরকম একটি আয়োজন অনেক জরুরী, যুগের চাহিদা, দেশের চাহিদা ইত্যাদির সাথে মিল রেখে এ মেলায় সম্পৃক্ত হচ্ছে ভিন্ন কিছু আয়োজন। বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, নতুন ব্রান্ডিংসহ আরো কিছু আয়োজনের কথা উলেøখ করে তিনি এতে সবাইকে শরীক হতে বলেন।
মো: নজরুল ইসলাম হাজারী; অর্থ সম্পাদক; মাল্টিপ্লান শপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন :
প্রধান অতিথির বক্তব্যের পরপরই মঞ্চে আসেন অর্থ সম্পাদক জনাব নজরুল ইসলাম হাজারী। তিনি অনেক আনন্দ ও উৎসাহের সাথে বলেন-আমরাই দেশে পঞ্চমবারের মতো এই বৃহৎ আইসিটি ফেয়ারের আয়োজন করছি। মাল্টিপ্লানকে তিনি দেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার সবচাইতে বড় আইসিটি মার্কেট হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, দেশের ৭০% থেকে ৮০% হার্ডওয়্যার এর বরাদ্দ দিচ্ছে এলিফ্যান্ট রোড। দেশের এই বৃহত্তম সম্মেলনে সবাইকে সম্পৃক্ত হবার এবং দেশের সবাইকে আইসিটি খাতে বাড়তি মনোযোগ দেবার অনুরোধ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
এস এম ওয়াহিদুজ্জামান :
আইসিটি ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীদের পক্ষে সোচ্চার কর্মী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি দেশের কতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন – আইসিটি ব্যবসায়ীদের বাড়তি একটু সম্মানের ব্যবস্থা যেন করেন তারা। সেটা হতে পারে ব্যাংকে সুদের হার ১% কম পাওয়া ও আইসিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষায় সবাইকে তৎপর হবার পরামর্শ দিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
মোতাহার হোসেন মুক্তা, সভাপতি, বৃহত্তর এলিফ্যান্ট রোড দোকান মালিক সমিতি :
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষন এ বক্তা তাঁর বক্তব্যেও শুরুতেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনের ইশতাহারে উলেøখিত ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রয়াস থাকলে অনতিবিলম্বে দেশ এ অভিষ্ট লক্ষে পারবে। তিনি বলেন, সরকারের এ কাজে তাদের দোকান মালিক সমিতির সর্বাত্বক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে তিনি মেলা চলাকালীন ও তার বাইরে এলিফ্যান্ট রোডের সম্মান অক্ষুন্ন রাখার জন্য সমস্ত দোকান মালিককে আহবান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষের দিকে আসেন তৌফিক এহসান। তিনি অনেক ব্যস্তাতার মাঝে এ অনুষ্ঠানে সবাইকে আসার জন্য ধন্যবাদ দেন। এবং সবাইকে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহন করার অনুরোধ জানিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষনা করেন।
গত তিন বছরে শিক্ষাসহ বিভিন্ন সেক্টরে আইসিটির কার্যকরী প্রয়োগ করা হয়েছে- ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, এমপি
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি বলেন, আইসিটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা ব্যাখ্যা করে জানান, ‘গত চল্লিশ বছরে ফোকাস ঠিক না থাকায় দেশের সঠিক উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। এখন আমাদের ফোকাস ডিজিটিাল বাংলাদেশ। গত তিন বছরে শিক্ষাসহ বিভিন্ন সেক্টরে আইসিটির কার্যকরী প্রয়োগ করা হয়েছে। ২০১৩ সালের মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। এর ফলে আমরা অচিরেই পেয়ে যাবো তথ্য প্রযুক্তির বিষয়ে শিক্ষিত একটি নতুন প্রজন্ম। আগামীতে জাতি গঠনে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি এলিফ্যান্ট রোডকে লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের সঙ্গে তুলনা করেন এবং এ এলাকার কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। তিনি বলেন মূলত ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে আমরা কি চাই এবং কিভাবে এগুচ্ছি। স্বল্প শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে বৃহত্তর কাজ করতে আমাদের এগুতে হবে বুদ্ধিদীপ্ত উপায়ে। তথ্যপ্রযুক্তিকে অনেক বেশী ব্যবহার করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির স্বয়ংসম্পূর্নতা নিশ্চিতকল্পে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। টেকনোলজি বেজড ভীশন ধরে এগোতে হবে। ওয়াইফাই সাবমেরিন ক্ষেত্রে দেশ এগোচ্ছে বলেও তিনি জানান। ৪৫০টি উপজেলা তথ্য কেন্দ্র স্থাপন ও ৩০০০ স্কুলে কম্পিউটার স্থাপনের কথা বলে তিনি এ সরকারের কিছু সাফল্যগাঁথা তুলে ধরেন। সেই সাথে পজিটিভলি এগোতে সবাইকে তাগিদ দেন। দেশে সফটওয়্যার শিল্প এগোচ্ছে বলেও তিনি মনে করেন এবং এক্ষেত্রে আরো বিপ্লব দরকারও মনে করেন তিনি। দেশের অনেক ছাত্রছাত্রী বিশ্বেও দরবারে দেশের জন্য সম্মান কুড়াচ্ছে। মেধাবী মানব সম্পদকে সাথে নিয়ে টেকনোলজির সহায়তায় একটি সুখী সমৃদ্ধ, সোনার বাংলাদেশ এবং অবশ্যই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে কাজ করার এবং নিজে কাজ করার ঘোষনা দেন। সর্বশেষ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডির একটি লাইন বলে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন এবং উক্ত অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিয়ে এবিষয়ে কার্যকরী নীতিমালা করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান – মোস্তাফা জব্বার
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) সভাপতি মোস্তাফা জব্বার ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিয়ে এবিষয়ে কার্যকরী নীতিমালা করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। মোস্তাফা জব্বার তাঁর বক্তব্যেও শুরুতেই সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে তিনি এ মেলার সফলতা কামনা করেন। তিনি বলেন, যুগের চাহিদায় বাংলাদেশের এহেন পরিস্থিতিতে “গ্রো গ্রিন উইথ আইসিটি” শ্লোগানটি যথার্থ। তিনি মনে করেন, এই শ্লোগানের মাধ্যমে আইসিটির মাধ্যমে সবুজ পৃথিবী গড়ার কর্মপ্রয়াস লক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন যে, আইসিটির মাধ্যমে যেমন – সবুজায়ন হচ্ছে তেমনি সবুজায়ন নষ্ট করতেও আইসিটি যে ভূমিকা রাখবে সেদিকে নজর দেবার সময় এসেছে। ইওয়েষ্ট ম্যানেজম্যান্ট কার্যকরী করার সময় এসে গেছে। জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে আইন করার উপর তিনি জোর দেন। টোনার কার্টিজ থেকে শুরু করে অনেক পদার্থ রয়েছে যা মানবদেহসহ পরিবেশের মারাত্বক বিপর্যয় ডেকে আনছে। আর এ জন্যই ইওয়েষ্ট ম্যানেজম্যান্ট জরুরী। তিনি উলেøখ করেন, ২০০৮ সালের ১২ই ডিসেম্বর এর কথা, যেদিন বর্তমান সরকার তার নির্বাচনী ইশতাহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর কথা বলেছিলেন। আর তার পর থেকেই এক ধরনের বিপ্লব শুরু হয়েছে দেশের আইটি খাতে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে দেশে মোবাইল ব্যবহারকারী ছিল ৪ কোটি, যা বর্তমান সময়ে এসে দাড়িয়েছে ৮ কোটি, যা প্রায় দ্বিগুন; ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ২০ লক্ষ, যা বর্তমানে ২ কোটি, ফেসবুক ব্যবহারকারী ১ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ, আবার ইন্টারনেটের ব্যবহার ৭.৫ গিগাবাইট থেকে ২৪ গিগাবাইট এ পৌছেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কর্মপ্রয়াসের কথাও তিনি উলেøখ করেন। তিনি বর্তমান সরকারের ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং দেশের মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য এ প্রস্তাব যে যুগান্তকারী তা উলেøখ করেন। দেশের আইটি বাজার সম্প্রসারনের দিকে নজর দেন তিনি এবং এলিফ্যান্ট রোডের অবদানকে স্বীকার করে তা বাড়ানোর জন্য তাগিদ দেন। ক্ষুদ্র আইসিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সংশিøষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতেও বলেন তিনি। সর্বোপরি তিনি দেশের স্বার্থরক্ষার ও দেশ ডিজিটাইলড করার জন্য সকলের ক্ষুদ্র প্রয়াস নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তথ্য প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধ পরিকর ১০ দিনব্যাপী বিসিএস কম্পিউটার সিটি “সিটি আইটি ফেয়ার ২০১১-১২”-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দিপু মণি

বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দশ দিনব্যাপী বিসিএস কম্পিউটার সিটি’র সিটি আইটি ফেয়ার ২০১১-১২।  ”Generating The New Era”

স্লোগান নিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ আয়োজনের বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তির এই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় আগারগাঁওস্থ বিসিএস কম্পিউটার সিটি’র নীচতলায় নিজস্ব মঞ্চে। বিসিএস কম্পিউটার সিটি’র সভাপতি জনাব এ.টি. শফিক উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা.দিপু মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স ইন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট আফতাব উল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) আব্দুল মান্নান।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে মঞ্চে এসেই এ অনুষ্ঠানে তাকে প্রধান অতিথি করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে এ রকম একটি বড় তথ্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রীক শিক্ষা আয়োজনে শরিক হতে পেরে তিনি নিজে গর্ববোধ করেন। শুরুতেই তিনি বিজয়ের মাস ডিসেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রান দেওয়া অগনিত শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর পর তিনি তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে এ রকম বিশাল একটি আয়োজন করার জন্য কর্তৃপক্ষ ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে নিয়মিত ভাবে এই আয়োজন হচ্ছে জেনে সন্তুষ্টি ও আনন্দ প্রকাশ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ সেই দিকেই এগুচ্ছে। তবে এখনও অনেক বেশি সচেতনতা দরকার। শিক্ষা ও তথ্য ভিত্তিক সমাজ গড়তে সবাইকে ব্যালেন্সীং দৃষ্টি ভঙ্গী নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান। তিনি প্রযুক্তির গুরুত্ব অনুধাবন করে বলেন প্রতিটি মহূর্তে আমরা প্রযুক্তির সাথে জড়িয়ে আছি। সকালে ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা প্রযুক্তির সাহায্য নিই। তিনি বলেন তথ্য প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় গুণগ্রাহী জননেন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি সব সময় দেশের প্রযুক্তি বিকাশে অবদান রেখে এসেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলেই প্রযুক্তি পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার হয়েছে। এছাড়াও তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মানে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায় বর্তমান সময়কে এগিয়ে রেখে এই জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো বেশী কাজ করার আহব্বান জানান।তিনি বলেন, অনেকেই ভ্রান্ত ধারনার বসবতি হয়ে একসময় ফাইবার অপটিক কেবলস্ বিনা মূল্যে নেয় নি। তবে বর্তমানে সবাই এই ধরনের ভ্রান্ত ধারনা মুক্ত। এ বিষয়ে সবাইকে সচেষ্ট থেকে সত্যিকারের সমৃদ্ধ আইসিটি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে আহব্বান জানান তিনি।
আইসিটি খাতে সরকারের দিক তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি আইসিটি মন্ত্রনালয় হয়েছে। নতুন নতুন সব আইসিটি ক্ষেত্রে অনেক বেশি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। তরুণরা অনেক বেশী উৎসাহ আর উদ্যম নিয়ে এক্ষেত্রে এগিয়ে আসছে। সবাইকে আরো বেশী সচেষ্ট হয়ে কাজ করার আহব্বান জানান তিনি। দেশের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিন বলেন তাদের আমলেই এদেশে উন্নতি আসবে, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার হবে এবং সয়ংসম্পন্ন বাংলাদেশ অচিরেই হবে। তবে এ জন্য সবাইকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে অচিরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ আর আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব।
তার বক্তব্যে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে যে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছে, সেই ডিজিটাল বাংলাদেশের গড়ার পেছনের অন্যতম মূল লক্ষ্য একটি বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠন করা। একইসাথে বর্তমানে যে ডিজিটাল ডিভাইড তৈরি হয়েছে, তাও দূর করা। সেই লক্ষ্যেই সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবক্ষেত্রে তথ্যকে সহজে পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তথ্যপ্রযুক্তির সেবা ও সুবিধা পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে সরকার বদ্ধ পরিকর।” তিনি আরও বলেন, “১ যুগ বয়সী বিসিএস কম্পিউটার সিটি বাংলাদেশে কম্পিউটার পণ্য সামগ্রীকে সকলের নিকট সুলভে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্যে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে বিসিএস কম্পিউটার সিটি আয়োজিত এই ধরনের মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।” সবশেষে তিনি বিসিএস সিটি আইটি ফেয়ার ২০১১-২০১২ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করে এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

 

সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে ২০২১ সালের পূর্বেই দেশ ডিজিটাল হবে

- আফতাব উল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট, আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স ইন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স ইন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট আফতাব উল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আফতাব উল ইসলাম বলেন, “বিসিএস কম্পিউটার সিটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। এই বিশাল কম্পিউটার বাজার দেশে তথ্যপ্রযুক্তিকে সুলভ ও সহজলভ্য করে তুলতে রেখেছে অন্যতম প্রধান ভূমিকা।” বিসিএস কম্পিউটার সিটি আয়োজিত বাৎসরিক এই মেলাকে সকলের নিকটে কম্পিউটার সামগ্রীকে জনপ্রিয় করে তুলতে কার্যকর একটি পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি এই মেলার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি দেশের আইসিটি খাতের এত বড় মাহিন্দ্রঙ্গনে আসতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন। সেই সাথে এ রকম একটি আয়োজনের তাকে বিশেষ অতিথি করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ এর কথা উলেøখ করে বলেন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে ২০২১ সালের পূর্বেই দেশ ডিজিটাল হবে। তিনি বলেন এখন দেশের অর্থনীতি মূল্যায়িত হচ্ছে আইটির উপর দেশের কর্তৃত্বের উপর ভিত্তি করে। আর দেশের বর্তমান অবস্থা আইটি ক্ষেেত্র অনেক দূর এগিয়েছে। এজন্য তিনি বর্তমান সরকারের বহুবিধ কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। বিসিএস এর বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীদের কথা উলেøখ করে তিনি বলেন তাদের অক্লান্ত প্ররিশ্রমেই দেশ আজ আইটি ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। পরিশেষে তিনি এ মেলার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং সবাইকে আরো অনেক বেশি আইটি ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত হওয়ার আহব্বান জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

তথ্য প্রযুক্তির নানান আয়োজনে বাংলালায়ন সবসময়ই এগিয়ে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের আয়োজনে এগিয়ে থাকবে – মেজর (অবঃ) আব্দুল মান্নান, চেয়ারম্যান,বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিঃ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির নানান আয়োজনে বাংলালায়ন সবসময়ই এগিয়ে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের আয়োজনে এগিয়ে থাকবে।
বাংলালায়ন টেলিকমিউনিকেশনস্ লিঃ এর চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) আব্দুল মান্নান সবাইকে তার তরফ থেকে ধন্যবাদ জানান। এত বড় একটি আয়োজনের স্পন্সর হতে পেরে তিনি নিজে আনন্দ প্রকাশ করেন। বিসিএস কম্পিউটার সিটির ক্রম উন্নতির কথা উলেøখ করে তিনি বলেন, এখানে এসে যাচাই বাছাই এর মাধ্যমে প্রযুক্তি পণ্য কেনার সুযোগ রয়েছে। আর এই ফেয়ারের মাধ্যমে এদিকে অনেক বেশী ইতি বাচকতা আসবে। তিনি বলেন দেশের সকল জেলায় নেটওয়ার্কি সুবিধা দেওয়ার জন্য তারা আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচেছ। এজন্য তারা দেশের ম্যাক্সিম্যাম জেলায় তাদের নেওয়ার্কিং নিশ্চিত করে চ্যালেঞ্জ আংশিক ভাবে মোকাবেল করেছেন। আগামী ২০১২ সালের জুন মানের মধ্যে দেশের আরো ২৬টি জেলায় নেওয়ার্কিং দিয়ে তার এই কাজের পূর্নতা আসবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তারাও অংশীদার। দেশের বাজারে ফোরজি টেকনোলজি আনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে এটা বড় ধরনের এক সূচনা। এছাড়াও তিনি ই-মেডিসিন সহ তার অনেক সার্ভিসের কথা উলেøখ করে তার অগনিত ক্লাইন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরো অনেক বেশী বাংলালায়নের অভিজ্ঞতা নিতে বলে এবং মেলার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করে তার বক্তব্য শেষ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (আইএপিএবি)-এর সভাপতি আক্তারুজ্জামান মঞ্জুকে বিসিএস কম্পিউটার সিটি’র পক্ষ থেকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সিটিআইটি ২০১১-২০১২ মেলা সিটির বাৎসরিক উৎসব এখন এক জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে – এ.টি. শফিক উদ্দিন আহমেদ, সভাপতি, বিসিএস কম্পিউটার সিটি
বিসিএস কম্পিউটার সিটি দেশের একাধিক বানিজ্য সংগঠনের মতই একটি প্রতিষ্ঠিত বানিজ্য সংগঠন। সার্বিকভাবে দেশের তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে সংগঠনটি নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে। যার ফল শ্রুতিতে এ দেশে কম্পিউটার বানিজ্য ক্রমবর্ধনশীল শিল্প হিসাবে প্রতিষ্টা পেয়েছে। ১০দিন ব্যাপি “সিটিআইটি ২০১১-২০১২” মেলা সিটির বাৎসরিক উৎসব এখন এক জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। বিসিএস কম্পিউটার সিটি শুরু থেকে আজ পর্যন্ত দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতে, বিশেষ করে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” রূপকল্প বাস্তবায়নে “বিসিএস কম্পিউটার সিটিই” একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা কোন মাধ্যম ছাড়াই নিজেদের তত্বাবধানে সকলের সহযোগীতায় বাস্তবধর্মী বিভিন্ন কর্মকান্ড সফলভাবে বাস্তবায়ন করে আসছে। সিটিআইটির এই ১১তম মেলায় রয়েছে নতুন নতুন কম্পিউটার পন্যের সমাহার। বৈচিত্র্যময় নানান ধরনের আনন্দ মূখর ইভেন্ট এবং প্রতিদিনই থাকছে আকর্ষনীয় পুরষ্কার ও কুইজ প্রতিযোগীতা।
আমি আশা করি, এবারও আমাদের মেলাটি সকলের প্রত্যাশা পূরনের পাশাপাশি সার্বিক সফলতা অর্জন করবে। মেলা আয়োজনের সাথে জড়িত সকলের কাছে আমি নির্বাহী পরিষদ ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এই মেলা গনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ আইসিটি পন্য ও প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবন ও সংযোজন সম্পর্কে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালনে সচেষ্ট থাকবে- কাজী সামছুদ্দিন আহম্মেদ লাভলু, আহবায়ক সিটি আইটি ২০১১-২০১২
প্রযুক্তির অভ‚তপূর্ব বিকাশ ও অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে মানুষের সকল কর্মপদ্ধতি এখন ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর। আর সেই জীবনধারাকে আরও ব্যাপকহারে সমৃদ্ধ করে দেশের প্রতিটি নাগারিককে আইসিটি নির্ভর শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানে বিসিএস কম্পিউটার সিটি বিশেষ অবদান রেখে আসছে। দীর্ঘ একযুগ ধরে বিসিএস কম্পিউটার সিটি দেশের সকল স্তরে তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত রয়েছে।
প্রতিবছর বিসিএস কম্পিউটার সিটি বিশাল পরিসরে কম্পিউটার মেলার আয়োজন করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের “সিটি আইটি ২০১১-২০১২” মেলা। প্রতিবারের মত এবারও মেলায় প্রযুক্তির প্রদর্শনী ছাড়াও বিশেষ আয়োজন করেছি। এই মেলা গনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ আইসিটি পন্য ও প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবন ও সংযোজন সম্পর্কে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালনে সচেষ্ট থাকবে এবং সরকার ঘোষিত “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার স্বপ্নকে সফল করার উদ্দেশ্যে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঞ্চালনে সহায়ক হবে। “সিটি আইটি ২০১১-২০১২” আয়োজনে সকল স্পন্সর এবং সংশিøষ্ট ব্যক্তিবর্গকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। যাদের সহায়তা ছাড়া এই মেলা সফলভাবে আয়োজন করা ছিল কষ্টসাধ্য। পরিশেষে আমি বিসিএস কম্পিউটার সিটি আয়োজিত “সিটি আইটি ২০১১-২০১২” এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

 

বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২

 

০৩-০৭ জানুয়ারি সিলেট স্টেডিয়ামে ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’ থিম নিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা এবং ডিজিটাল লাইফ স্টাইল প্রদর্শনী ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২’ অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনী ৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হলেও ২ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় সিলেট স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান প্রধান অতিথি হিসেবে বিসিএস ডিজটাল এক্সপো সিলেট ২০১২ এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লন্ডন টাওয়ার হেমলেটের ডেপুটি মেয়র জনাব আবুল মনসুর অহিদ আহমেদ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি জনাব মো: ফয়েজুল্যাহ খান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রাক্তন সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সহ-সভাপতি জনাব মঈনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট শাখার চেয়ারম্যান জনাব এনামুল কুদ্দুছ চৌধুরী। ০২ জানুয়ারি ২০১২ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ৩ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকছে। জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি নানা কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করছে। বিসিএস নিয়মিত বিভিন্ন প্রদর্শনী, মেলা, সভা-সেমিনার, কর্মশালা ইত্যাদি আয়োজন করে থাকে। ঢাকায় নিয়মিত এসব আয়োজন সম্পন্ন করার পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে বিসিএস। সমিতির সিলেট শাখা তার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দ্বিতীয়বারের মত সিলেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে বৈচিত্র্য ও জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শনী আয়োজন করছে। এ আয়োজনে সহযোগিতা করছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল। আর সর্বতভাবেই পাশে রয়েছে সমিতির কার্যনিবাহী পরিষদ এবং সমিতির সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তথ্যপ্রযুক্তির দেশী-বিদেশী জনপ্রিয় ও সুপরিচিত ব্র্যান্ড, আমদানিকারক, প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারী ৪৪টি প্রতিষ্ঠান এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে। এতে তারা মূলত কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার পণ্যসামগ্রী, নেটওয়ার্ক ও ড্যাটা কমিউনিকেশন, টেলিকম সেবা ও পণ্যসামগ্রী, মাল্টিমিডিয়া, আইসিটি শিক্ষা উপকরণ, ল্যাপটপ, টেবলেট পিসি, ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক প্রযুক্তি ও পণ্য ইত্যাদির উন্নত ও হালনাগাদ সংস্করণ প্রদর্শন করবে। প্রায় ২৫,০০০ বর্গফুট স্থান জুড়ে ৫৫টি স্টলে এসব প্রযুক্তি সামগ্রী প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীটি বৈচিত্র্যময় করতে পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন
প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে জমকালো সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রদর্শনীর চতুর্থ দিন ৬জানুয়ারি, শুক্রবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বয়স ও বিষয়ভিত্তিক ২টি গ্রুপে স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। প্রতিযোগিতায় গ্রুপগুলো হলো – ক গ্রুপ (বয়স: ৩-৬ বছর) এবং খ গ্রুপ (৭-১০ বছর) প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। মেলা চলাকালে মেলা প্রাঙ্গনে বিসিএসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ও প্রতিযোগিতার স্থলে এক ঘণ্টা আগে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। প্রদর্শনীর তৃতীয় দিন ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের ৩ বছর: প্রাপ্তি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমাদের সিলেটবাসীর গর্ব গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থ মন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত। এই আয়োজনে মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে বিসিএস সিলেট শাখার পক্ষ থেকে আজীবন সম্মননাপ্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়েছিল। মেলার প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। বিসিএসের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২’- এর প্রদর্শনীতেও স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখানো সাপেক্ষে বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা ছিল। এছাড়াও মেলার বিক্রিত টিকেট নিয়ে সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হবে র‌্যাফেল ড্র। আর এতে ছিল বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার। এছাড়া প্রদর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়োজনে মেলায় ছিল বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বিশেষায়িত প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতা।

মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ছিল ফুজিতসু, লজিটেক এবং নরটন, গোল্ড স্পন্সর হিসেবে ছিল স্যামসাং এবং গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রা: লিমিটেড; সিলভার
স্পন্সর হিসেবে ছিল ডেল প্রিন্টার;অফিসিয়াল ব্যাংক স্পন্সর হিসেবে ছিল পূবালী ব্যাংক লি: মিডিয়া পার্টনার এটিএন নিউজ, লন্ডন ভিত্তিক চ্যানেল এস, উত্তর পুর্ব, ইন্টারনেট পার্টনার ঝুম আল্ট্রা,ওয়েব পার্টনার ইসলামিক কল সেন্টার, ক্যাবল পার্টনার সিলেট কেবল সিষ্টেমস, মেলার টিকেট স্পন্সর হাইটেক কম্পিউটার এবং আইটি গেইট, টিকেট কাউন্টার স্পন্সর নরটন, ভলান্টিয়ার ড্রেস স্পন্সর বিজনেস ল্যান্ড, চিত্রাংকণ প্রতিযোগিতা স্পন্সর বেলকিন।

০৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় মোহাম্মদ আলি জিমনেশিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রদর্শনীর সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট-৫ আসনের জাতীয় সংসদ-সদস্য জনাব হাফিজ আহমদ মজুমদার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ-সদস্য জনাব মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী এবং সিলেটের জেলা প্রশাসক জনাব খান মুহাম্মদ বিলাল।www.digitalexposylhet.com এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২ দেশ বিদেশের যেকোন প্রান্থ থেকে উপভোগ করার সুযোগ ছিল। ওয়েব সাইটে মেলা সংক্রান্ত সকল তথ্য রয়েছে এবং প্রতিদিন আপডেট খবরা খবর ছিল। ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২’ -এর অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে বিসিএসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। এখান থেকে যে কোন রকমের তথ্য ও সেবা নিতে পারছেন যে কেউ। এ ছাড়াও মেলায় আগত দর্শনার্থী, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের যে কোন ধরনের সহায়তার জন্য একটি বিশেষ টিম মেলা প্রাঙ্গনে নিয়োজিত ছিল। মেলায় সাধারণ নিরাপত্তা, লোকচলাচল নিয়ন্ত্রণ, পণ্য বিক্রি এবং টিকেট চেকিং এর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা দল সব সময় কাজ করছে এবং পাশাপশি ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ প্রদর্শনী সিলেটের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগতশিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে -

মো: ফয়েজউল্যাহ্ খান, সভাপতি, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি দেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন অনুঘটক হিসেবে তাঁর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কাজ করে আসছে। দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের জাতীয় সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি শুধুমাত্র আইটি শিল্প ব্যবসায়ীদের একমাত্র উন্নয়ন চিন্তা না করে দেশের আইসিটি খাতের উন্নয়ন কিভাবে গতিশীল ও তরান্বিত করা যায় সে বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ ও সরকারের গৃহীত কর্মসূচির সঠিক বাস্তবায়নে কাজ করছে। সমিতি অন্তহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশের সর্বত্র তথ্যপ্রযুক্তি পৌছানো এবং এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতের সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষা-গবেষণা এবং দাপ্তরিক কাজসহ প্রাত্যহিক জীবনের সকল কাজে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে কাজে লাগিয়ে এর মাধ্যমে সকল ক্ষেত্রের উন্নয়ন কিভাবে নিশ্চিত করা যায়। বিসিএস ১৯৯৩ সালে দেশে প্রথমবারের মতো কম্পিউটার মেলার আয়োজন করে। সেই থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৪ বছর ধরে বিভিন্ন নামে বিভিন্ন শিরোনামে দেশের বিভিন্ন  স্থানে এ প্রদর্শনী সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ঢাকা ছাড়াও সিলেট, চট্রগ্রাম, খুলনা ও যশোরে এ ধরনের তথ্যপ্রযুক্তির মেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে। বিসিএস মনে করে শুধুমাত্র ঢাকা কেন্দ্রীক এই আয়োজনকে  সীমাবদ্ধ রেখে পূর্ণাঙ্গ সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। সে কারণেই বিসিএস ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো পূণ্যভূমি সিলেটে আয়োজন করে তথ্যপ্রযুক্তির বর্ণিল প্রদর্শনী ‘বিসিএস কম্পিউটার শো সিলেট ২০০৪’।গতিশীল  আমাদের দেশব্যাপী ছুটেসেই প্রদর্শনীর আহবায়ক হিসেবে আমি সিলেটে তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনীর যে সূচনা করেছিলাম তা আজকের চতুর্থ প্রদর্শনীতে এসেও চলমান রয়েছে। এই চলমান ধারাকে আরও গতিশীল করতেই তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী নিয়ে আমাদের দেশব্যাপী ছুটে চলা।

 

এ ধরনের আয়োজন এ অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের আরও প্রসার ঘটাবে এবং প্রযুক্তি পণ্যের বাজারকে সম্প্রসারিত করবে- বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, মেয়র সিলেট সিটি কর্পোরেশন

এ ধরনের আয়োজন এ অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের আরও প্রসার ঘটাবে এবং প্রযুক্তি পণ্যের বাজারকে সম্প্রসারিত করবে। আমার বিশ্বাস সিলেটের এবারের প্রদর্শনীটি পূর্বের তুলনায় হয়ে উঠবে আরও বৈচিত্র্যময়, বর্ণিল, ব্যবসাবান্ধব এবং শিক্ষামূলক। কেননা এবারের প্রদর্শনীটির শ্লোগান হচ্ছে ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’। তা

তাই দেশের তরুণ প্রজন্ম তথা সিলেটের তরুণ শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষার উপকরণ, শিক্ষায় ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রভাব ও এর ব্যবহার, ডিজিটালাইজড শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে তাদের এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষা কতটা জরুরী সে সম্পর্কে তারা ধারণা পাবে। প্রদর্শনীর বাইরেও এখানে সময়ের আলোচিত প্রযুক্তি নির্ভর বিষয় নিয়ে সেমিনার হবে, আলোচনা হবে দেশের প্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নেওয়ার কৌশল নিয়ে, বিজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা অনুপ্রেরণা দিবেন তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দিনবদলের সনদ ‘রূপকল্প ২০২১’ এর মূলমন্ত্র ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এর সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সরকারের সকল বিভাগের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং রূপরেখা নির্ধারণ ও এর বাস্তবায়ন। সিলেট সিটি কর্পোরেশন ইতিমধ্যে তার সেবাখাতের অনেক বিভাগকে অনলাইনের আওতায় নিয়ে এসেছে যা মানুষের সেবা প্রাপ্তিকে সহজ করে তুলেছে। অনেকগুলোর কাজ এগিয়ে চলছে। আশা করা যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজডের পথে এগিয়ে যাওয়ায় নগরীর জনগণের সেবা প্রাপ্তিকে আরও সহজ করে তুলবে।

 

এ আয়োজন সিলেটের প্রযুক্তিপ্রিয় জনগণের কাছে প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করন পৌছে দেবে- মুশফিক উস সামাদ চৌধুরী,আহবায়ক, বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২

আমি উচ্ছসিত যে বিসিএস সিলেট শাখা কমিটি এ প্রদর্শনীর আহবায়কের দায়িত্ব আমার উপর ন্যাস্ত করেছে। এবারের আয়োজনটি অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বৃহৎ, জমকালো, চমকপ্রদ, বৈচিত্র্য আনয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং আয়োজনটি যাতে সিলেটের প্রযুক্তিপ্রিয় এবং জ্ঞানমনষ্ক মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় সে ব্যাপারে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি। এবারের প্রদর্শনীর শ্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’।

 আশা করছি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া আনতে, সেই সাথে এই প্রযুক্তি গ্রহণে সক্ষম শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে এই প্রদর্শনী কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এই প্রদর্শনীতে আয়োজিত আলোচনা সভা, সেমিনার, কুইজ, কর্মশালায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি, উদ্দীপনা এবং আলোচনা উপকৃত করবে সকলকে। সিলেটের শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনের মাধ্যমে হালনাগাদ প্রযুক্তি সম্পর্কে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি এর ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হবে। সর্বোপরি এ আয়োজন সিলেটের প্রযুক্তির দিক থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে প্রযুক্তির আলোয় আলোকিত করবে এবং প্রযুক্তিপ্রিয় জনগণের কাছে সর্বশেষ প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করন পৌছে দেবে।

শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার একটি কার্যকর মাধ্যম হবে এ প্রদর্শনী- এনামুল কুদ্দুস চৌধূরী, চেয়ারম্যান, বিসিএস-সিলেট শাখা

তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী যে কোন অঞ্চলের জনগণের কাছে প্রযুক্তিপন্য পৌঁছে দেওয়া এবং এর ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা, হালনাগাদ তথ্যপ্রযুক্তি পন্য সম্পর্কে অবহিত করার একটি শক্তিশালি মাধ্যম। তৃনমূল পর্যায়ের জনগোষ্ঠিকে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ব্যবহারে সচেতন করে তুলতে এ প্রদর্শনী অনুঘটকের ভুমিকা পালন করে। এ লক্ষ্যেই বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি দেশব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করছে।
দেশব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ এবং সম্প্রসারণে পুণ্যভূমি সিলেটে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট শাখা এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (আইবিপিসি) যৌথভাবে আয়োজন করেছে সিলেটের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো সিলেট ২০১২’। করা হয়েছেকরার

এবারের প্রদর্শনীর থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি’। দেশের শিক্ষার ক্ষেত্রে ডিজিটাইলেজশনের সূচনা আনতে এবং এই সুবিধা গ্রহণ করতে সক্ষম শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার একটি কার্যকর মাধ্যম হবে এ প্রদর্শনী।
এই মেলা সিলেটকে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে- প্রফেসর মো: আব্দুল আজিজ,উপাচার্য,মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি

রাজধানী ঢাকা থেকে বহুদূরে হলিসিটি সিলেটে গুণগত মানসমপন্ন এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য ২০০৩ ইং সালে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি স্থাপন করা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ শিক্ষিত নাগরিক তৈরি করার জন্য কাজ করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশীপ এবং ওয়েভার সুবিধাসহ বিবিএ, আইসিটি, এলএলবি, ইংলিশ, এমবিএ ইত্যাদি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ানো হচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সিলেটকে এগিয়ে নিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় অবদান রাখছে। আমি জেনে আনন্দিত, সিলেটে ডিজিটাল এক্সপ্রো ২০১২ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই মেলা সিলেটকে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আমি এই মেলার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

তথ্য প্রযুক্তি সম্প্রসারনের ফলে কৃষিখাতের উন্নয়ন হয়েছে ব্যাপকভাবে
প্রফেসর ডঃ মোঃ শহীদ উল্লাহ তালুকদার
ভাইস চ্যান্সলর, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

দেশব্যাপি তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ ও সম্প্রসারনের লক্ষে্ হযরত শাহ্জালাল(র) ও হযরত শাহপরান(র) স্মৃতি বিজড়িত পূণ্যভ‚মি সিলেটে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি-সিলেট শাখার এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এর যৌথ উদ্যোগে বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো-২০১২ হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত এবং সিলেটে এ উদ্যোগ গ্রহনের ফলে বিসিএসকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছে। দেশব্যাপি তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ ও সম্প্রসারনে বিসিএস সৃষ্টির লগ্ন থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তি সম্প্রসারনের ফলে কৃষিখাতের উন্নয়ন হয়েছে ব্যাপকভাবে। বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সুযোগ্য কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষিখাতের উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষনা দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প অনুযায়ী ২০২১ সাল নাগাদ আমরা এমন এক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হবে উন্নত প্রযুক্তি এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি। সেই সম্ভাব্য বাংলাদেশে স্থিতিশীল থাকবে দ্রব্যমূল্য। আয় – দারিদ্র ও মানব- দারিদ্র নেমে আসবে নূন্যতম পর্যায়ে, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত হবে। ব্যাপকভাবে বিকশিত হবে মানুষের সৃজনশীলতা এবং সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে, হ্রাস পাবে সামাজিক বৈষম্য, প্রতিষ্ঠা পাবে অংশিদারিত্ব মূলক গনতন্ত্র এবং অর্জিত হবে জলবায়ূ পরিবর্তনের কারনে সৃষ্ট বিপর্যয়ের মোকাবেলার সক্ষমতা। তখনি বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে বিকশিত হয়ে পরিচিত লাভ করবে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে। সেই লক্ষে বাস্তবায়নের নিমিত্তে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়েছে এগ্রি ফেকাল্টি। যেখান থেকে দক্ষ জনবল তৈরী করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরা সবাঙ্গই অঙ্গীকারবদ্ধ। ৫ দিন ব্যাপী বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো-২০১২ এর সফলতা কামনা করছি।

বেসিস-এর উদ্যোগে স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ৩য় ‘এক দিনের সফটওয়্যার মেলা’ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ৩য় স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক একদিনের সফ্টওয়্যার মেলা। ২০ শে ডিসেম্বর ২০১১ কাওরানবাজার বিডিবিএল ভবনের ৫ম তলায় বেসিস কমন সার্ভিস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সফ্টওয়্যার মেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সভাপতি জনাব মাহবুব জামান। সকাল ১০টায় মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসিস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লোকাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান উত্তম কুমার পাল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বেসিস মহাসচিব ফোরকান বিন কাশেম, বেসিসের অন্যতম পরিচালক শেখ কবির আহমেদ প্রমুখ।

জনাব মাহবুব জামান, সভাপতি- বেসিস তাঁর বক্তৃতায় অংশ্রগহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের তৈরী বিভিন্ন সফ্টওয়্যার পণ্যের প্রশংসা করেন এবং তা বিশ্বমানের বলে অভিহিত করেন। সেইসাথে এসব পণ্যের সুবিধা সংশিøষ্ট সকল মহলে বিশেষভাবে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহে ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য পরামর্শ দেন যাতে তারা এসব পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত হয়। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের স্বাস্থ্য সেবা শিল্পকে এগিয়ে নিতে বেসিস সদস্যদের এ উদ্যোগ যথেষ্ট সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশিøষ্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সংগঠন ‘বেসিস’-এর ‘লোকাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি’র পক্ষ থেকে গত ২৩শে অক্টোবর ২০১১ তারিখে শিক্ষা খাতের উপর প্রথম এবং গত ২৬শে নভেম্বর ২০১১ তারিখে আবাসন খাতের উপর দ্বিতীয় ‘এক দিনের সফটওয়্যার মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেট হাউজের উলেøখযোগ্য সংখ্যক দর্শণার্থী সমাগম ঘটে।

বিভিন্ন ব্যবসায়িক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার খুঁজে পেতে এবং সঠিক প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করার সুযোগ তৈরী করে দেয়ার উদ্দেশ্যেই এ মেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য সেবায় আইসিটির ব্যবহার শুধু স্বাস্থ্য সেবাকে আধুনিকতার ছোয়া দেবার ভেতরই সীমাবদ্ধ নয়। আইসিটির পরিকল্পিত ব্যবহার স্বাস্থ্য সেবায় আনতে পারে ভিন্ন আরেক মাত্রা।

ক্স এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা রোগী এবং রোগ সম্পর্কে অধিকতর ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ক্স আইসিটির ব্যবহার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর গুনগত মান বৃদ্ধি করতে পারে।
ক্স স্বাস্থ্যসেবা জনসচেতনা বৃদ্ধি।
ক্স স্বাস্থ্যসেবার সচ্ছতা বৃদ্ধি।

বেসিস অফিস মিলনায়তনে ৮টি বেসিস সদস্য প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- এপ্সিলন কন্সাল্টিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস, সাউথটেক লিমিটেড, মেডিসিস বিডি লিমিটেড, গ্লোবাল সফটওয়্যার আর্কিটেক্টস, বেস্ট বিজনেস বন্ড লিমিটেড (থ্রিবিএল), এ্যাডভান্সড ইআরপি (বিডি) লিমিটেড, এটিআই লিমিটেড, মনোসফট লিমিটেড। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ তাদের জন্য নির্ধারিত প্রদর্শন বুথে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল, প্রডাক্ট ও সার্ভিসের বিস্তারিত বর্ণনাসহ লিফলেট/ব্রæশিয়ুর ইত্যাদি দর্শকদের মাঝে বিলি করেন। এছাড়াও, ব্যবসায়িক বিস্তারিত আলাপচারিতার জন্যে আলাদাভাবে বসার স্থানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

সমীক্ষায় দেখা যায় এপ্রিল ২০১১ পর্যন্ত দেশে ব্যক্তিমালীকানাধীন ক্লিনিকের সংখ্যা ১০৩২৩টি। উরৎবপঃড়ৎধঃব এবহবৎধষ ড়ভ ঐবধষঃয ঝবৎারপবং এর হিসাব অনুযায়ী দেশে ২২৭৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৬০৫টি হাসপাতাল এবং ১৬৭২টি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান আছে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোর ইনভেন্টরি এবং লজিষ্টিকস্-এর দূর্বল ব্যবস্থাপনা। একটি পূর্ণাঙ্গ সফ্টওয়্যার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা খুব সহজেই সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিভিন্ন বিভাগ যেমন ওপিডি, আইপিডি, ফার্মেসি, প্যাথোলজি, ডক্টরস শিডিউলিং, সিকিউরিটি এন্ড এক্সেস কন্ট্রোল, হসপিটাল একাউন্টস্, ইনভেন্টরি হসপিটালের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রকম সলিউশন যা কিনা একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের দক্ষ্যতা ও সচ্ছতা নিশ্চিত করে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে একজন চিকিৎসক যেমন তার রোগীর পূর্ববর্তী ডাটা সম্পর্কে জানতে পারেন ঠিক তেমনি ওয়েব এনাবেল সফটওয়্যারের মাধ্যমে একজন রোগী ডাক্তারের সাথে তার সাক্ষাৎ এর সময় ঠিক করতে পারেন।

সুতরাং সফট্ওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষ্যতা বৃদ্ধি এখন সময়ে দাবী মাত্র। ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্শিবাদ থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই খাতকে দূরে রাখার অর্থ হচ্ছে এই খাতকে অবজ্ঞা করা।

সর্বোপরি, আমাদের দেশেও যে বিশ্বমানের সফটওয়্যার তৈরী হয়, যে সফ্টওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী, ব্যবসায়িক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের দৈনন্দিন কাজ সহ প্রয়োজনীয় সব কাজ সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারে এ প্রচারণার দ্বার উন্মুক্ত হবে এবং গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে বেসিস নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এডভার্টাইজমেন্ট

কম্পিউটার বার্তার ইমেইলে আপডেট

আপনার ইমেইল এডড্রেস এখানে নিবন্ধন করুন, নতুন নিউজ পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে :

এখন পর্যন্ত এই সুযোগ গ্রহন করেছেন:

Our Network

realtimebdshop_com realtimefashion_com_bd realtime_com_bd equran_com_bd e_computerbarta_logo

Visitor With US

067155
Visit Today : 97
Visit Yesterday : 138
This Month : 235
This Year : 67155
Total Visit : 67155
Hits Today : 373
Total Hits : 287218
Who's Online : 1
Your IP Address: 54.161.203.23

এডভার্টাইজমেন্ট

Archives

এডভার্টাইজমেন্ট