কাজের ধরন
চাহিদা এবং পারিশ্রমীকের দিকথেকে ভালো এরকম কিছু কাজের জন্য প্রয়োজনিয় বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারনার অংশ হিসেবে গত পর্বে আমরা জানলাম ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে। এ পর্বে ধাপে ধাপে অন্যান্য কাজ যেমন গ্রাফিক্স, এসইও, আর্টিকেল লেখ ইত্যাদি সম্পর্কে জানবো। গ্রাফিক্সডিজাইনের জন্য প্রয়োজন ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, অটোকেডের মত সফটওয়্যার। কাজের ধরন অনুযায়ী এসব সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেমন কনস্ট্রাকশন ডিজাইন এর জন্য অটোক্যাড, প্রিন্টিং ডিজাইন এর ÿেত্রে ইলাস্ট্রেটর ও ওয়েব ডিজাইন এর ÿেত্রে ফটোশপ ব্যাবহার করা হয়। তবে গ্রাফিক্স এর কাজের জন্য সূজনশীলতাটাই বেশি প্রয়োজন। সফটওয়ারের ব্যাবহার শিখে বেশি বেশি চর্চার মাধ্যমে এর দÿতা অর্জন করা যায়। ডিজাইনিং এর কাজের মধ্যে হতে পারে ওয়েব সাইটের টেম্পলেট, লোগো, ব্যানার, বইয়ের কাভার ডিজাইন, পোশাকের ডিজাইন ইত্যাদি। বর্তমানে ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের মত গ্রাফিক্স এর কাজের চাহিদা অনেক বেশি। আর্টিকেল লেখার কাজের জন্য প্রয়োজন ইংরেজির দÿতা ও ধৈর্য্য। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্দিষ্ট শব্দের আর্টিকেল লিখার কাজ পাওয়া যায়। এ জন্য তেমন কোন সফটওয়ার প্রয়োজন হয়না। তবে কোন কনটেন্ট সার্চ কারার ভালো দÿতা থাকা প্রয়োজন। আর্টিকেল লিখলে বানান ও গ্রামার ভুল সংশোধনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন সফটওয়্যার এরকম একটি সফটওয়ার হচ্ছে “ওয়ার্ড ফাড”, আর্টিক্যাল চেক করার ওয়েব সাইট আর্টিকেল টেকার, প্ল্যাগারিজমা, ডাস্টবল ইত্যাদি । তবে এ কাজেও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। আর্টিকের লেখার কাজের মধ্যে রয়েছে ক্রিয়েটিভ আর্টিকেল, বøগ লেখা, ওয়েব সাইট কনটেন্ট ইত্যাদি। এসইও এর কাজ ফ্রিল্যান্সারদের খুবই পরিচিত ও সুবিধাজনক। তবে চাহিদা বেশি থাকায় সহজে কাজ পাওয়া যায়না। এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। নাম শুনেই বোঝা যায় এসইও হচ্ছে ওয়েব মাস্টার গাইডলাইন অনুযায়ী কোন সাইটকে ওপটিমাইজ করা। সার্র্চিং এর ফলাফলে সাইটকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা। এগুলোর মধ্যে হচ্ছে ব্যাক লিংক, ফোরাম পোস্টিং, বøগ কমেন্টিং ইত্যাদি। সফটওয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রয়োজন সি, সি++, জাভা সহ বিভিন্ন প্রোগ্রমিং ল্যাঙ্গুয়েজ । বর্তমানে মোবাইল ফোন, এন্ড্রয়েড সহ বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট এর কাজ খুব বেশি পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার জানলে কাজ পাওয়ার জন্য সুবিধা হয়। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার বিশেষ করে এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্ট এর কাজ পাওয়া যায়। যারা বিষয় ভিত্তিক বিভিন্ন প্রফেশনাল কাজের সফটওয়ারের ব্যবহার পারেন তাদের জন্য রয়েছে কাজের সুযোগ। যেমন পরিসংখ্যানিক ডাটা এনালাইসিস এর জন্য এসপিএসএস, একাউন্টিং কাজের জন্য টালি সহ অন্যান্য সফটওয়ার। রয়েছে বিজনেস প্ল্যান, কস্ট একাউন্টিং, এডভারটাইজিং, সেলস এন্ড মার্কেটিং, লিগাল, পাবলিক রিলেশন ইত্যাদি প্রফেশনের কাজ। ডাটা এন্ট্রির কাজের মধ্যে রয়েছে ভার্চুয়াল অফিস সহকারির কাজ, টাইপিং, ইমেইল হ্যান্ডলিং ইত্যাদি। কাস্টমার সাপোর্ট, ওর্ডার প্রসেসিং, টেকনিক্যাল সাপোর্ট সহ রয়েছে নানান ধরনের কাজ।
-হাসান মাহমুদ





