প্রযুক্তি বিশ্বে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। সেটা যেকোন দিক দিয়েই হোক। তবুও সরকারের যথার্থ সিদ্ধান্তের তারিফ করতে হয়। বর্তমান তো বটেই আগামীর বিশ্ব হবে কম্পিউটার নির্ভর। সেক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি শিল্পের আছে এক উজ্জল সম্ভাবনা। অফিস-আদালত থেকে শুরু করে পাড়ার যেকোন দোকানে আছে প্রচুর চাহিদা। আর কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি স্কুল শিক্ষার্থীদের আজ এক নিত্য সঙ্গী ল্যাপটপ কম্পিউটার। তাছাড়া সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপায়নে তার কোন বিকল্প নেই। টেলিফোন মোবাইল নেটওয়ার্কের পর এবার যোগ হলো শতাব্দীর অন্যতম আবিষ্কার ল্যাপটপ কম্পিউটার। যার তত্বাবধানে আছে টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস)। এটি আমাদের জাতীয় জীবনে এক মাইল ফলক। প্রায় প্রতি বছরই ঘাটতি বাজেটের মধ্যেও আধুনিক এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর ও সময় প্রাসঙ্গিক, যা একটি দক্ষ কারিগরী ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। যদিও নানা সীমাবদ্ধতার কারনে যথা সময়ে তা পুরোপুরি (গ্রাহকদের কাছে) পৌছানো সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে একাধিক মডেলের বিভিন্ন ফিচারের দোয়েল ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। যা কিনা বাংলাদেশের সর্বনিন্ম দাম থেকে শুরু করে ক্রেতা সাধ্যমত (এডভান্স) মডেলের দোয়েল ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো উন্নত ও যুগপোযগী এবং গ্রাহকদের চাহিদা মত ল্যাপটপ এর বিষয়ে কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের গবেষনা চলছে। আমাদের দেশে বেশ কিছু উন্নত ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ ও একান্ত বদ্ধপরিকর আন্তর্জাতিক মানের সেবার বিষয়ে। তবুও সব নামীদামী ব্র্যান্ডের আড়ালে আমাদের দেশীয় ল্যাপটপ দোয়েলকে সর্বশ্রেনীর গ্রাহকদের আস্থা অর্জণে সময় সাপেক্ষ। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট আশাবাদী। আমরা দেশের মানুষই যদি দেশীয় পণ্য ব্যবহার না করি। তাহলে বিদেশীরা কেন তা ব্যবহার করবে। তাই আমাদের সকলের উচিৎ ব্র্যান্ডের পণ্যের পাশাপাশি সরকারী/দেশীও পণ্য ব্যবহার করে সরকার তথা জাতীয় সিদ্ধান্তকে মূল্যায়ণ করা এবং সরকারের রাজস্ব একান্ত সহযোগীতা করা। তবেই না সরকার তথা দেশ তথা জাতীর উন্নতি হবে। হতে পারে দোয়েলই হবে আগামী বিশ্বে এক সার্বজনীন ব্র্যান্ড।
বার্তা ডেস্ক





